৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কুয়েতে ওমরাহ সেবায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন চার বাংলাদেশি উদ্যোক্তা

editor
প্রকাশিত মার্চ ১৮, ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ণ
কুয়েতে ওমরাহ সেবায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন চার বাংলাদেশি উদ্যোক্তা

Manual6 Ad Code

কুয়েতে ওমরাহ সেবায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন চার বাংলাদেশি উদ্যোক্তা

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কুয়েত থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাত্রী প্রেরণে শ্রেষ্ঠ সেবাদাতা হিসেবে চার বাংলাদেশি উদ্যোক্তা সম্মাননা অর্জন করেছেন। অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি তাদের এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।কুয়েত থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাত্রী প্রেরণে শ্রেষ্ঠ সেবাদাতা হিসেবে চার বাংলাদেশি উদ্যোক্তা সম্মাননা অর্জন করেছেন।

গত রোববার (১৫ মার্চ) কুয়েতের আবু হোসাইনিয়া সিটির খরোপ হোটেলে ওমরাহ অ্যাসোসিয়েশন কুয়েত-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক ইফতার মাহফিলে তাদের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

Manual3 Ad Code

অনুষ্ঠানে কাজী ওমরাহ সার্ভিসের পরিচালক কাজী মোহাম্মদ ইকবালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরিকা মজমুওয়া লাব্বাইক আল খায়ের কোম্পানির প্রধান নির্বাহী (সিইও) ফাওয়াজ কুজায়েম আল কুজায়েম। তিনি নির্বাচিত সেবাদাতাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

Manual7 Ad Code

সম্মাননা প্রাপ্ত বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা হলেন কাজী মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার, আমির হোসেন এবং মোহাম্মদ ফেরদৌস।

Manual7 Ad Code

জানা যায়, কুয়েতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক বসবাস করেন এবং সেখান থেকে স্থল ও আকাশপথে ওমরাহ পালনের জন্য যাত্রী প্রেরণে বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এই প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশেও বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সুনাম, বিশ্বস্ততা এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ওমরাহ সেবা প্রদান করে আসার স্বীকৃতি হিসেবেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অন্যান্য দেশের প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা এই সম্মাননা অর্জন করেছেন।

Manual1 Ad Code

কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি ধর্মীয় সেবাখাতে এই অর্জন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের জন্য গর্বের বিষয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code