১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

সমালোচনার মুখে অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় বাংলাদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাফুফে

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ণ
সমালোচনার মুখে অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় বাংলাদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাফুফে

Manual4 Ad Code

সমালোচনার মুখে অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় বাংলাদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাফুফে

শেখ স্বপ্না শিমুঃ সমালোচনার মুখে শেষ মুহূর্তে নারী দলের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় স্থানীয় বাংলাদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সিডনিতে অনুশীলন ভেন্যুর মতো বাংলাদেশে সুযোগ সুবিধা না থাকায় আক্ষেপ ফুটবলারদের। তীব্র গরমের পর আবার ঠান্ডা এমন মিশ্র কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে দল। নিজেদের খেলার উন্নতিতে এবার চোখ তাদের।
বৈরী আবহাওয়ার মাঝেই অনুশীলনে ব্যস্ত বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।

সিডনির কোগরার আধুনিক সুযোগ-সুবিধার জুবিলি স্টেডিয়াম। সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মাঝে গড়ে ওঠা এই ভেন্যুতে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয় না। শুধু অনুশীলনের জন্যই এমন স্টেডিয়াম তৈরি হয়েছে সিডনিতে।

Manual8 Ad Code

এশিয়ান কাপের আগে প্রতিবেশী দেশ ভারত যেখানে দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন ক্যাম্প করেছে ইউরোপে, খেলেছে প্রস্ততি ম্যাচ। বাংলাদেশ সেখানে দেশে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতির পর অস্ট্রেলিয়ায় এসে ভ্যালেন্টাইন স্পোর্টস পার্কে ৬ দিনের ক্যাম্প আর স্থানীয় দলের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ। এ নিয়ে বাংলাদেশ দল নামবে এশিয়ান কাপের মঞ্চে।

অস্ট্রেলিয়ায় জুবিলি স্টেডিয়ামের সুযোগ-সুবিধায় মুগ্ধ ফুটবলাররা। দেশের মাটিতে এমন মাঠ না থাকায় আক্ষেপ তাদের কন্ঠে। ডিফেন্ডার শিউলি আজিম বলেন, ‘মাঠগুলো আসলে অনেক ভালো। এরকম আমাদের দেশেও যদি থাকতো, তাহলে হয়তো আমরা আরও ভালো প্রস্তুতি নিতে পারতাম।’

Manual4 Ad Code

অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে হঠাৎ করেই অসুস্থ হযে পড়েন ফিজিও থেরাপিস্ট জাকিয়া রহমান। তার অনুপস্থিতিতে হন্যে হয়ে ফিজিও খোঁজায় নামে ফেডারেশন। যদিও সভাপতির দাবি ফিজিও নেই এটা নাকি তিনি জানতেন না। এ থেকেই আঁচ করা যায় ফেডারেশনের মাঝে সমন্বয়হীনতা কতটুকু! এতবড় একটা আসরের আগে এমন বেহাল দশা! শেষ মুহুর্তে অস্ট্রেলিয়ায় এসে এখানে বসবাসরত ইসনাদ জামকনকে নিয়োগ দিয়েছে বাফুফে। তার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে লড়াইয়ের জন্য তৈরি হচ্ছে বাংরাদেশ দল।

Manual4 Ad Code

এদিকে প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট কোচ পিটার বাটলার। ছোটখাটো ঘটতির জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করছেন কোচ। কখনো তীব্র রোদ আবার ভারী বৃষ্টি। সিডনির এমন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কষ্ট হলেও ইতিহাস গড়ার মঞ্চে নামার আগে প্রতিবন্ধকতা জয়ের লক্ষ ফুটবলারদের।

শিউলি আজিম বলেন, ‘এখানে অনেক গরম, আসার পর আমরা মানিয়ে নিয়েছি। এখন আবার বৃষ্টি হচ্ছে। আগের চেয়ে অনেকটাই মানিয়ে নিয়েছি।’আগামী তিন মার্চ চীনের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ অভিযানে নামে বাংলাদেশ

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code