৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র শেষ ষোলোয় মুখোমুখি সিটি-রিয়াল, সহজ প্রতিপক্ষ বার্সেলোনার।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ণ
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র শেষ ষোলোয় মুখোমুখি সিটি-রিয়াল, সহজ প্রতিপক্ষ বার্সেলোনার।

Manual6 Ad Code

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র শেষ ষোলোয় মুখোমুখি সিটি-রিয়াল, সহজ প্রতিপক্ষ বার্সেলোনার।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ফুটবলে নজর রাখেন? উত্তরটা ‘হ্যাঁ’ হলে ১০ মার্চ এক হাইভোল্টেজ ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান। সেদিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ম্যানচেস্টার সিটির মুখোমুখি হবে প্রতিযোগিতাটির সবচেয়ে সফল দল রিয়াল মাদ্রিদ।

Manual5 Ad Code

আজ সুইজারল্যান্ডের নিয়নে অনুষ্ঠিত হওয়া নিলামে ম্যানচেস্টার সিটিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে রিয়াল। শেষ ষোলোয় আরও বেশ কয়েকটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ হবে। পিএসজি মুখোমুখি হবে চেলসির, টটেনহ্যাম অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের।

Manual6 Ad Code

তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছে বার্সেলোনা। গত আসরের সেমিফাইনালিস্টরা এবার শেষ ষোলোয় খেলবে নিউক্যাসলের বিপক্ষে। প্রিমিয়ার লিগের দলটির গত কয়েকটি মৌসুম ভালো কাটলেও এবার এতটা সুসময় যাচ্ছে না। লিগ টেবিলে এবার তারা আছে ১১ নম্বরে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউটে উঠেছিল ১২ নম্বরে থেকে।

প্রিমিয়ার লিগ জয়ের দৌড়ে প্রথমে থাকা আর্সেনালের প্রতিপক্ষ লেভারকুসেন। বায়ার্ন মিউনিখ আটালান্টাকে ও লিভারপুল পেয়েছে গ্যালাতসারেকে। শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ১০ ও ১১ মার্চ, দ্বিতীয় লেগেরগুলো ১৭ ও ১৮ মার্চ।

Manual8 Ad Code

কোয়ার্টার ফাইনালেও জমজমাট ম্যাচের আভাস। রিয়াল মাদ্রিদ বনাম ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টারে মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ বনাম আটালান্টা ম্যাচে জয়ী দলের। পিএসজি-চেলসি ম্যাচের জয়ী দলের প্রতিপক্ষ লিভারপুল-গ্যালাতসারে ম্যাচের জয়ী দল। বার্সেলোনা-নিউক্যাসল ম্যাচের জয়ী দল প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ কিংবা টটেনহ্যামকে। আর্সেনাল পরের ধাপে উঠলে প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং সিপি কিংবা বোদো/গ্লিমট।

Manual7 Ad Code

কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচগুলো ৭ ও ৮ এপ্রিল, দ্বিতীয় লেগ ১৪ ও ১৫ এপ্রিল। সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ২৯-২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় লেগ ৫-৬ মে। বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় ফাইনাল ৩০ মে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code