২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

দূতাবাস কর্মীদের ‘আজই’ ইসরাইল ছাড়ার পরামর্শ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের!

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ণ
দূতাবাস কর্মীদের ‘আজই’ ইসরাইল ছাড়ার পরামর্শ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের!

Manual2 Ad Code

দূতাবাস কর্মীদের ‘আজই’ ইসরাইল ছাড়ার পরামর্শ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের!

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি দূতাবাস কর্মীদের বলেছেন, যারা ইসরাইল ছাড়তে চায়, তারা যেন আজই চলে যান।
ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ২৪ মিনিটে পাঠানো এক ইমেইলে হাকাবি লিখেছেন, কোনো কর্মী বা তাদের পরিবারের সদস্যরা যদি ইসরাইল ছাড়তে চান, তাহলে ‘আজই’ চলে যাওয়া উচিত।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও লিখেছেন,
দূতাবাসের জরুরি নয় এমন কর্মীদের চলে যাওয়ার আহ্বানে আজ বিমান আসনের চাহিদা বেশি থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের যেখানেই হোক একটি সিট নিশ্চিত করে নিন। সেখান থেকে পরে ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়া যাবে; তবে প্রথম অগ্রাধিকার হলো দ্রুত ইসরাইল ত্যাগ করা।’

Manual6 Ad Code

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, ইমেইলটি তিনজন ব্যক্তি যাচাই করেছেন। হাকাবি নাকি আরও লিখেছেন, ‘আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে যারা যেতে চান তাদের জন্য দেরি না করে দ্রুত পরিকল্পনা করা গুরুত্বপূর্ণ।’

Manual7 Ad Code

এদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনার মধ্যে তেল আবিবে ফ্লাইট স্থগিত করছে আন্তর্জাতিক একাধিক বিমান সংস্থা। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের সরকার তাদের নাগরিকদের ইরান ও ইসরাইল ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে।

Manual4 Ad Code

নেদারল্যান্ডের প্রধান বিমানসংস্থা কেএলএম আমস্টারডাম-তেল আবিবে ফ্লাইট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির একজন মুখপাত্র বলেছেন, নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যে তেল আবিবে ফ্লাইট পরিচালনা করা এই মুহূর্তে সম্ভব নয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code