২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

টরন্টোতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ
টরন্টোতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ।

Manual6 Ad Code

টরন্টোতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশ।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে গৌরবোজ্জ্বল শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী এবং টরেন্টোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ১ মিনিটে ড্যানফোর্থের ডেন্টোনিয়া পার্কে অবস্থিত ভাষা শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে কনস্যাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকনের পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশি ডায়াসপোরা ও কানাডার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।সকালে বাংলাদেশ হাউসে মিশনের সদস্যদের উপস্থিতিতে কনস্যাল জেনারেল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন।

Manual1 Ad Code

পরবর্তীতে কনস্যুলেট জেনারেলের মিলনায়তনে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরব প্রার্থনার মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

Manual5 Ad Code

বক্তারা মহান ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তারা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। আলোচনায় অংশ নেন অধ্যাপক ড. তাজ হাসিম, বিশিষ্ট প্রবাসী রেজাউল করিম তালুকদার ও মুজিবুর রহমানসহ আরও অনেকে।

Manual4 Ad Code

সমাপনী বক্তব্যে কনস্যাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচার ও সংরক্ষণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যমকর্মী এবং টরেন্টোতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code