৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনে আনন্দঘন শিশু উৎসব।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনে আনন্দঘন শিশু উৎসব।

Manual6 Ad Code

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনে আনন্দঘন শিশু উৎসব।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মালদ্বীপে বেড়ে উঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবসের ইতিহাস তুলে ধরতে বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। একইসাথে ভাষা শহিদদের স্মরণে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়।

Manual7 Ad Code

অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ আনুষ্ঠানিকভাবে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতও রাখা হয়। জনশীলতা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। ঢাকা থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে হাইকমিশনারের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিরিন ফারজানা।

Manual6 Ad Code

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সেলর মো. সোহেল পারভেজ। ভাষা আন্দোলনের চেতনা, মাতৃভাষার গুরুত্ব এবং মালদ্বীপে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের মুখে আনন্দের হাসি ও তাদের অভিভাবকদের চোখে গর্বের ঝিলিক যেন প্রমাণ করে দেয়, মালদ্বীপেও নতুন প্রজন্মের মাঝে মাতৃভাষা ও ভাষা আন্দোলনের চেতনা জাগ্রত রাখতে হাইকমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ী শিশু-কিশোরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

Manual7 Ad Code

এ অনুষ্ঠানে প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু- কিশোরদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক ও বাংলাদেশ কমিউনিটির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলাদেশ চ্যান্সারি ভবনের সম্মেলন কক্ষ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর মিলনমেলায়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code