৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় হতাশ হেইডেন।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় হতাশ হেইডেন।

Manual7 Ad Code

অস্ট্রেলিয়া বাদ পড়ায় হতাশ হেইডেন।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আবারও গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এভাবেও সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যাচ্ছিল না তাদের। তার ওপর বিশ্বকাপের আগে ইনজুরির কারণে সেরা খেলোয়াড়দের ছিটকে পড়া অস্ট্রেলিয়াকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। তবে গ্রুপ পর্ব থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ে বেশ হতাশ দলটির সাবেক ক্রিকেটার ম্যাথু হেইডেন।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার ম্যাথু হেইডেন।

Manual1 Ad Code

২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলঙ্কার কাছে বড় ব্যবধানে হারের পরই বিশ্বকাপ ভাগ্য ঝুলে যায়। পরের দিন আয়ারল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ বৃষ্টিতে বাতিল হলে অস্ট্রেলিয়ার বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

Manual4 Ad Code

মাত্র এক মাস আগে অ্যাশেজে দাপুটে পারফর্ম করা অস্ট্রেলিয়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পড়ে গেছে চরম ব্যর্থতায়। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা, অভিজ্ঞদের ব্যর্থতা—সব মিলিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, অস্ট্রেলিয়া আদৌ টি–টোয়েন্টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে?

অস্ট্রেলিয়ার দু’বারের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী ম্যাথু হেইডেন বলেন, ‘দল নির্বাচন আর প্রস্তুতির দিক থেকে আমাদের ভুল পথে ঠেলে দেয়া হয়েছে। ব্যাপারটা ইংল্যান্ডের মতো—‘সব ঠিক আছে’ এ ধরনের আত্মতুষ্টি। এটা একধরনের অস্বীকার আর হয়তো দুর্বল ব্যবস্থাপনার ফল।’
ক্যামেরুন গ্রিনের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন হেইডেন। আইপিএলে ইতিহাসের অন্যতম দামী বিদেশি ক্রিকেটার হওয়া সত্ত্বেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ গ্রিন।

Manual1 Ad Code

বিষয়টি আরও একবার সামনে আনলেন হেইডেন, ‘ব্যাট হাতে গ্রিন একেবারেই আত্মবিশ্বাসহীন। রেনশ এসেছে কোনো বাড়তি বোঝা ছাড়া। দেশে ওয়ানডেতে দারুণ খেলেছে। তাকে অবহেলা করা হয়েছে—টেস্ট দলেও তার জায়গা থাকা উচিত।’
হেইডেন যোগ করেন, ‘ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সূচি নতুন করে ভাবা দরকার। তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ক্রিকেটারদের সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে হবে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code