৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

তিন বছরে ৫ লাখ শ্রমিক নেবে ইতালি, প্রথম ধাপের আবেদন সম্পন্ন।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ণ
তিন বছরে ৫ লাখ শ্রমিক নেবে ইতালি, প্রথম ধাপের আবেদন সম্পন্ন।

Manual5 Ad Code

তিন বছরে ৫ লাখ শ্রমিক নেবে ইতালি, প্রথম ধাপের আবেদন সম্পন্ন।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইতালিতে তিন বছর মেয়াদি (২০২৬–২০২৮) পাঁচ লাখ শ্রমিক নেবার প্রথম ধাপের ক্লিক ডে শেষ হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫০ জনের কোটার এই পর্বে বিভিন্ন খাতে আবেদন সম্পন্ন হয়। কড়াকড়ি ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে আবেদন কম জমা হওয়ায় এবার যোগ্য আবেদনকারীদের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে বলে মনে করছেন প্রবাসী বাংলাদশিরা।

Manual8 Ad Code

এবারের তিন বছর মেয়াদি ভিসায় বিভিন্ন খাতে শ্রমিক ভাগ করে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিজনাল বা মৌসুমী কাজ, কৃষি ও পর্যটন খাতে ৮৮ হাজার। নন-সিজনাল ৭৬ হাজার ২০০ এবং স্বনির্ভর কাজের জন্য ৬৫০ জন শ্রমিকের কোটা ছিল।

Manual7 Ad Code

১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে এই আবেদনের সময়সীমা বা ক্লিক ডেগুলো অনুষ্ঠিত হয়। তবে শেষ দিনে ডমেস্টিক বা গৃহস্থালি কাজের জন্য আবেদনের চাপ ছিল তুলনামূলক বেশি।

ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার আবাসন সনদ বা রেসিডেন্স সংক্রান্ত কড়াকড়ি ও জটিল প্রক্রিয়ার কারণে অনেকেই আবেদন করতে পারেননি। যারা এই কঠিন ধাপগুলো পার করে আবেদন জমা দিতে পেরেছেন, তাদের ভিসা পাবার সম্ভাবনা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।

তারা বলছেন, এবারের আবেদন প্রক্রিয়া বেশ কঠিন ছিল। যারা সঠিক নিয়মে আবেদন করতে পেরেছেন তারা অবশ্যই সাফল্যের মুখ দেখবেন।
তবে ভিসা পাওয়ার এই সুযোগকে পুঁজি করে দালাল চক্র যেন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।এদিকে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরবর্তী ১ লাখ ৬৫ হাজার শ্রমিকের জন্য আগাম ফরম পূরণ প্রক্রিয়াও শুরু হতে যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code