২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জর্ডানে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে, দেবে বিমান ভাড়া।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ণ
জর্ডানে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে, দেবে বিমান ভাড়া।

Manual4 Ad Code

জর্ডানে বাংলাদেশ থেকে সরকারি ভাবে কর্মী নেবে, দেবে বিমান ভাড়া।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশের নারীদের জন্য এক দারুণ সুখবর! রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেল (BOESL) এর মাধ্যমে জর্ডানের খ্যাতনামা “তাস্কার অ্যাপারেল” কোম্পানিতে যোগদানের সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৩০০ জন মহিলা পোশাককর্মী জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে পারবেন।

তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানি, যা উন্নত কর্মপরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধার জন্য সুপরিচিত, নারী কর্মীদের জন্য মেশিন অপারেটর পদে এই আকর্ষণীয় চাকরির প্রস্তাব দিয়েছে। এই পদটিতে কর্মরত মহিলারা মাসিক ২১,৩১১ টাকা মূল বেতন পাবেন।

এছাড়াও, কর্মীদের জন্য রয়েছে বিনামূল্যে থাকা, তিন বেলা মানসম্মত খাবার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুবিধা। দূর দেশ জর্ডানে কর্মজীবন শুরু করতে কর্মীদের যেন কোনো আর্থিক চাপ না থাকে, সেজন্য কোম্পানি আসা-যাওয়ার বিমান ভাড়াও বহন করবে।

Manual8 Ad Code

আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে এবং পোশাক শিল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিশেষত, প্লেইন মেশিন ও ওভারলক মেশিন পরিচালনায় দক্ষতা থাকতে হবে। দৈনিক আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে ছয় দিন কাজ করার সুযোগের পাশাপাশি অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইমেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

Manual6 Ad Code

প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য চুক্তি করা হলেও, কর্মীদের কর্মদক্ষতা বিবেচনা করে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করা হতে পারে। জর্ডানের শ্রম আইন অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ও শর্তাবলীও প্রযোজ্য হবে।

Manual6 Ad Code

তবে, যে সকল নারীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বা জর্ডানের আদালতে কোনো মামলা চলমান আছে অথবা পূর্বে জর্ডান থেকে ফেরত এসেছেন, তাদের এই পদে আবেদনের প্রয়োজন নেই। এছাড়াও, প্রত্যেক কর্মীকে ন্যূনতম দুটি মেশিনে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাংলাদেশের নারী শ্রমিকদের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। যোগ্য প্রার্থীদের জন্য তাস্কার অ্যাপারেল কোম্পানিতে কাজের এই সুযোগ নিজেদের ভাগ্য বদলের একটি সেরা মাধ্যম হতে পারে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code