২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরাইলের বোমা হামলায় নিহত ৪।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ণ
লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরাইলের বোমা হামলায় নিহত ৪।

Manual7 Ad Code

লেবানন-সিরিয়া সীমান্তে ইসরাইলের বোমা হামলায় নিহত ৪।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ লেবাননের সিরিয়া সীমান্ত এলাকায় বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামলায় সিরীয় নাগরিক খালেদ মোহাম্মদ আল-আহমাদসহ অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন।২৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ইসরায়েলি-লেবানিজ সীমান্তের কাছে মারজায়ুন থেকে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থান থেকে ধোঁয়া উড়ছে।

লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সীমান্তের কাছে মাজদাল আঞ্জার এলাকায় একটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়।বৈরুতের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলছে, নিহতদের একজন সিরীয় নাগরিক। হামলার কথা স্বীকার করেছে ইসরাইলি বাহিনী।

Manual2 Ad Code

তাদের দাবি, লেবাননে থাকা প্যালেস্টাইন ইসলামিক জিহাদ- পিআইজে সদস্যদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি গোষ্ঠীটি।

Manual8 Ad Code

প্যালেস্টাইনিয়ান ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে) ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাভিত্তিক একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং গাজা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সহযোগী। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলের ভেতরে যে সশস্ত্র হামলা হয়েছিল, সেখানে হামাসের পাশাপাশি পিআইজে-এর যোদ্ধারাও ছিল।

এদিকে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় থেমে নেই ইসরাইলি বর্বরতা। স্থানীয় সময় রোববার গাজার বেশ কয়েকটি স্থানে হামলা চালায় ইসরাইলি সেনারা। চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন।

Manual2 Ad Code

ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করায় আন্তর্জাতিক আইন মেনে ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালানো হয়েছে। সংগঠনের মুখপাত্র হাজেম কাসেম এই হামলাকে বাস্তুচ্যুত মানুষের ওপর নতুন করে ‘গণহত্যা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code