২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ক্যালিফোর্নিয়া নিখোঁজের ৬ দিন পর ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো রুমমেট।

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ণ
ক্যালিফোর্নিয়া নিখোঁজের ৬ দিন পর ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো রুমমেট।

Manual5 Ad Code

ক্যালিফোর্নিয়া নিখোঁজের ৬ দিন পর ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো রুমমেট।

শেখ স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিখোঁজ হওয়ার কয়েকদিন পর ২২ বছর বয়সি ভারতীয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সাকেত শ্রীনিবাসাইয়ার নামের ভারতীয়র মরদেহ একটি হ্রদ থেকে উদ্ধার করা। ৯ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হওয়ার আগে শেষ দুই সপ্তাহে সাকেত শ্রীনিবাসাইয়ারের আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

Manual6 Ad Code

তার রুমমেট জানান, তিনি খাওয়াদাওয়া এবং কথা বলা কমিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি গোসলের পোশাক পরেই ক্লাসে চলে গিয়েছিলেন, যা ছিল তার মানসিক বিপর্যয়ের স্পষ্ট লক্ষণ।

Manual3 Ad Code

সাকেতের রুমমেট বনীত সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে এক পোস্টে লিখেছেন, ৯ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হওয়ার আগের প্রায় দুই সপ্তাহ সাকেত শুধু চিপস আর কুকিজ খেয়ে বেঁচে ছিলেন।

বনীত সিং লেখেন, আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসেবে জীবনটা সত্যিই কঠিন। শেষ দুই সপ্তাহের আগে সাকেতের মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ ছিল না। তিনি খাওয়া, কথা বলা ও ঘুম কমিয়ে দিয়েছিলেন। ২১ জানুয়ারি তিনি আমাকে লেক আনজাতে যাওয়ার জন্য ডেকেছিলেন; কিন্তু আমি আলসেমি করে যাইনি। আমি জানতাম না, সেখানেই তিনি নিজের জীবন শেষ করে দেবেন।’

ভারতের কর্ণাটকের বাসিন্দা সাকেত শ্রীনিবাসাইয়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় লেক আনজা থেকে, যা টিলডেন রিজিওনাল পার্কের ভেতরে।

Manual2 Ad Code

শনিবার সান ফ্রানসিসকোতে অবস্থিত ভারতের কনস্যুলেট অফিস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে সাকেতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code