২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

Manual3 Ad Code

বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে জয় পাওয়া বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, ‘সফল নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন এবং ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে শুভেচ্ছা।’

Manual3 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘উভয় দেশের (যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ) সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে আমরা আপনাদের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি। এর আগে, সফল নির্বাচনের পর বাংলাদেশের জনগণ এবং বিজয়ের জন্য বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানায় দেয় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।

Manual3 Ad Code

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে,
একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা। আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।

Manual6 Ad Code

এদিকে, বিজয়ের জন্য তারেক রহমান এবং বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে মোদি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপিকে এক বড় বিজয়ে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমি তারেক রহমানকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন জানাই।’

Manual6 Ad Code

ভারতের প্রধানমন্ত্রী পোস্টে আরও বলেন, ‘এই জয় আপনার নেতৃত্বের ওপর বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন।’
ভারত ‘গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন’ অব্যাহত রাখবে বলেও বাংলাদেশের আসন্ন সরকারকে আশ্বস্ত করেছেন মোদি।

তিনি আরও বলেন,
আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে আপনার সাথে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ। এছাড়াও, তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code