২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি অজ্ঞাত বাংলাদেশি, স্বজনদের খুঁজছে হাইকমিশন

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি অজ্ঞাত বাংলাদেশি, স্বজনদের খুঁজছে হাইকমিশন

Manual2 Ad Code

মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি অজ্ঞাত বাংলাদেশি, স্বজনদের খুঁজছে হাইকমিশন

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এক অজ্ঞাতপরিচয় বাংলাদেশি কর্মী। গুরুতর অসুস্থ এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ায় তিনি নিজের পরিচয় বা ঠিকানা কিছুই জানাতে পারছেন না। এমতাবস্থায় ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তা চেয়েছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে ভর্তি অজ্ঞাত বাংলাদেশি, স্বজনদের খুঁজছে হাইকমিশন।

Manual3 Ad Code

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ হাইকমিশন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রবাসীদের অবগত করে। চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা জরুরি। যদি কোনো প্রবাসী বাংলাদেশি ছবিতে বর্ণিত ব্যক্তিকে চিনে থাকেন কিংবা তার আত্মীয়-স্বজন বা ঠিকানার বিষয়ে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তবে অবিলম্বে হাইকমিশনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Manual2 Ad Code

গত গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের তেলোক ইনতান এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। আটকের সময় তার কাছে কোনো বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়নি। অনাধিকার প্রবেশের দায়ে তাকে আটক করা হলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে পুলিশ তাকে দ্রুত পেরাকের হাসপাতাল বাহাগিয়া উলু কিন্তায় ভর্তি করে।

Manual6 Ad Code

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে ওই কর্মীকে পরিদর্শন করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, ওই ব্যক্তি বর্তমানে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় আছেন। তিনি কথা বলতে কিংবা লিখতে পারছেন না, যার ফলে দীর্ঘ চেষ্টা করেও তার নাম বা বাড়ির ঠিকানা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code