২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভারতে ছড়াচ্ছে নিপাহ ভাইরাস, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ণ
ভারতে ছড়াচ্ছে নিপাহ ভাইরাস, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে মারাত্মক নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে পুরো অঞ্চলে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এশিয়ার কয়েকটি দেশের বিমানবন্দরে উচ্চ সতর্কতা ও যাত্রীদের কঠোর স্ক্রিনিং ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। খবর বিবিসির।
নিপাহ ভাইরাস মোকাবিলায় থাইল্যান্ডের তিনটি বিমানবন্দরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যেসব ফ্লাইট আসছে সেগুলোর যাত্রীদের বাড়তি স্ক্রিনিং করা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গে পাঁচজন স্বাস্থ্যকর্মী নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। এরপর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের সংস্পর্শে আসা অন্তত ১১০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। নিপাহ ভাইরাস প্রাণী থেকে মানুষের শরীরে ছড়াতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার অনেক বেশি। আক্রান্তদের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশই প্রাণ হারান। এ মুহূর্তে নিপাহ ভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন বা ওষুধ নেই।

ভারতে ছড়িয়ে পড়া নিপাহ ভাইরাসে এশিয়ায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদন মতে, মারাত্মক এই ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেই লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের তিনটি বিমানবন্দরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যেসব ফ্লাইট আসছে সেগুলোর যাত্রীদের বাড়তি স্ক্রিনিং করা হচ্ছে।

এছাড়া ভারতের সীমান্তবর্তী দেশ নেপালের কাঠমান্ডু বিমানবন্দরেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভারতের সঙ্গে স্থলবন্দরগুলোতেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে দেশটি।

নিপাহ ভাইরাস মূলত শূকর ও বাদুর থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। এছাড়া নিষিদ্ধ খাবারের মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষের শরীরেও ছড়ায় এ ভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বে যে ১০টি রোগের ব্যাপারে উচ্চ সতর্কতা দিয়ে থাকে, তার মধ্যে একটি নিপাহ ভাইরাস। এটা মহামারিতে পরিণত হতে পারে বলে দাবি স্বাস্থ্য সংস্থাটির।

Manual5 Ad Code

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিভিন্ন উপস্বর্গ দিতে পারে। আবার কোনো উপস্বর্গও দেখা না যেতে পারে। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক উপস্বর্গের মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, পেশী ব্যথা, বমি ও গলা ব্যথা। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে তন্দ্রাচ্ছন্নতা, চেতনার পরিবর্তন এবং নিউমোনিয়াও দেখা যায়।

Manual5 Ad Code

আর অবস্থা যদি গুরুতর হয় তাহলে এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত হন রোগী। এটি মস্তিষ্কে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার শূকর খামারির মধ্যে নিপাহ ভাইরাস ছড়ায়। যা পার্শ্ববর্তী সিঙ্গাপুরেও দেখা দেয়। সর্বপ্রথম যে গ্রামে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল সেখান থেকেই এটির নামকরণ করা হয়।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code