২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানের দিকে যাচ্ছে আরও এক মার্কিন সামরিক বহর!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ণ
ইরানের দিকে যাচ্ছে আরও এক মার্কিন সামরিক বহর!

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি সামরিক বহর বা ‘আর্মাডা’ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

একইসঙ্গে, ইরান একটি চুক্তিতে সম্মত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য আইওয়ায় এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আরেকটি সুন্দর আর্মাডা এখন সুন্দরভাবে ইরানের দিকে যাচ্ছে, দেখা যাক কী হয়।

তিনি আরও বলেন আশা করি তারা (ইরান) একটি চুক্তি করবে। প্রথমবারেই তাদের চুক্তি করা উচিত ছিল, তাহলে আজ তাদের একটি দেশ থাকত।

এর একদিন আগে, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন (বিমানবাহী রণতরী) ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।

তবে ট্রাম্প নতুন করে যে ‘আর্মাডা’র কথা উল্লেখ করেছেন, সেটি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ নাকি অন্য কোনো ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

Manual7 Ad Code

এর আগে, ‘বড় নৌবহর’ পাঠানোর পর ইরান পরিস্থিতি ‘অনিশ্চিত অবস্থায়’ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তবে তেহরান সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী বলেও মনে করেন তিনি। ট্রাম্পের এক সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর দেয় মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন ইরানের কাছাকাছি আমাদের একটি বিশাল নৌবহর রয়েছে। এটি ভেনেজুয়েলার চেয়েও বড়। তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে চায়। আমি তা-ই জানি। তারা বহুবার ফোন করেছে। তারা কথা বলতে চায়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর খবরের পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জানিয়েছে, ইরানের কাছে বিদেশি যুদ্ধজাহাজের আগমন তেহরানের প্রতিরক্ষা অবস্থান বা কূটনীতির প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না।

Manual5 Ad Code

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেনা। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আমরা কখনো যুদ্ধকে স্বাগত জানাইনি, আবার কূটনীতি ও আলোচনার পথ থেকেও কখনো সরে আসিনি। এসব আমরা বাস্তবে দেখিয়েছি।

Manual6 Ad Code

ইরানের কাছে জনগণের সমর্থনে দেশ রক্ষার পূর্ণ ইচ্ছা ও সক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিদেশি যুদ্ধজাহাজের প্রবেশ দেশ রক্ষায় ইরানের দৃঢ়তা ও আন্তরিকতাকে প্রভাবিত করতে পারবে না।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code