২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৪:৫০ অপরাহ্ণ
সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচের আগে ভিয়েতনামের বিপক্ষে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ভিয়েতনামের নাম দিন সিটিতে ২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।

এ জন্য সেখানেই ক্যাম্প করার পরিকল্পনা করছে বাফুফে। এদিকে জুন উইন্ডোতে লাল-সবুজের ক্যাম্পে যোগ দেবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলান সুলিভান। এছাড়াও ইংলিশ ফুটবলার ফারহান আলী ওয়াহিদকে নিয়েও সুখবর দিয়েছে বাফুফে।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচের আগে ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

Manual1 Ad Code

৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাই ম্যাচের আগে একটি ফিফা ফ্রেন্ডলির জন্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষের অপেক্ষায় ছিলো বাফুফে। শুরুতে কম্বোডিয়া এবং তিমুর লেস্তের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনামকে বেছে নিয়েছে ফুটবল ফেডারেশন।

Manual4 Ad Code

২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ। এ জন্য সেখানেই ক্যাম্প করার পরিকল্পনা বাফুফের। বিষয়টি জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে ভিয়েতনাম ফুটবল ফেডারেশনে। সেখান থেকে সবুজ সংকেত এলে হামজা এবং শমিত সোম বাংলাদেশে না এসে সরাসরি যোগ দেবেন ভিয়েতনামের ক্যাম্পে।

Manual2 Ad Code

এদিকে জুন উইন্ডোতে আরো দুই প্রবাসী ফুটবলার যুক্ত হচ্ছেন লাল-সবুজের বহরে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রোনান ও ডেক্লান সুলিভানের কাগজপত্র গুছিয়ে এনেছে বাফুফে। এই উইন্ডোতেই অন্তত দুটো ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। এরই মধ্যে ১২টি দেশে পাঠানো হয়েছে আমন্ত্রণ পত্র।

হামজা শমিতের পর বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সবচেয়ে ট্যালেন্টেড ফুটবলার হিসেবে বিবেচনা করা হয় ইংলিশ ফুটবলার ফারহান আলী ওয়াহিদকে। ফুলহামের যুব দলে খেলা এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে বাফুফের আলোচনা একেবারে বর্ডার লাইনে। পরিবারের সবুজ সংকেত পেলেই চলতি বছর তারও হয়ে যেতে পারে লাল-সবুজে অভিষেক।

এছাড়া অনূর্ধ্ব-২০ সাফ টার্গেট করে আরো অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী ফুটবলার যুক্ত হচ্ছেন বাফুফের ক্যাম্পে। যার মধ্যে আছেন অস্ট্রেলিয়ার যুব দলে ডাক পাওয়া আরহাম ইসলাম।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code