২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গাজায় জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে গিয়েছিল ২ শিশু, ইসরাইলের হামলায় মৃত্যু।

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ণ
গাজায় জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে গিয়েছিল ২ শিশু, ইসরাইলের হামলায় মৃত্যু।

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

উত্তর গাজায় ইসরাইলি হামলায় দুই শিশু নিহত হয়েছে। হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সর্বশেষ লঙ্ঘন হিসেবে এই হামলা চালায় ইসরাইল।
দুই শিশু তাদের বাবার জন্য কাঠ সংগ্রহ করছিল। ইসরাইলি ড্রোনের আঘাতে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

Manual1 Ad Code

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাজার চিকিৎসা সূত্র জানায়, উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের সময় বেসামরিক নাগরিকদের উপর ইসরাইল ড্রোন হামলা চালায়।

Manual5 Ad Code

এ সময় একই পরিবারের দুই শিশু নিহত হয়। তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক ফিলিস্তিনি এখন জ্বালানি খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ রাতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়।

Manual6 Ad Code

এছাড়া অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের প্রবল বাতাস এবং বৃষ্টি থেকে সুরক্ষার তেমন কোনো উপায় নেই। কারণ বেশিরভাগ আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পাতলা ক্যানভাস এবং প্লাস্টিকের শিট দিয়ে তৈরি। ইসরাইলের অবরোধের কারণে উপত্যকায় তাঁবু, মোবাইল হোম বা তাঁবু মেরামতের জন্য উপকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা সীমিত হয়ে পড়েছে।

১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রায় প্রতিদিনই লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল।
এদিকে, শনিবার গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি শীত মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে অন্তত ১০ শিশু মারা গেছে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code