২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ব্রাজিলের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে সই করতে যাচ্ছেন আনচেলত্তি!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ণ
ব্রাজিলের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে সই করতে যাচ্ছেন আনচেলত্তি!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

২০২৬ বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় গত বছর ব্রাজিল জাতীয় দলে যুক্ত হয়েছিলেন কার্লো আনচেলত্তি। চুক্তি অনুযায়ী যার মেয়াদ এক বছরের কিছু বেশি। তবে বিশ্ব আসরে মাঠে নামার আগেই তার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে যাচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)।
দলের উপর আনচেলত্তির প্রভাবে সন্তুষ্ট সিবিএফ কর্তারা।

Manual1 Ad Code

২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে আনচেলত্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে মৌখিক সমঝোতায় পৌঁছেছে সিবিএফ।

সামাজিক মাধ্যমে এমন তথ্য জানিয়েছেন, ফুটবলের দলবদল বিষয় নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ইতালিয়ান সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো। তিনি জানিয়েছেন, দলে আনচেলত্তির প্রভাব নিয়ে দারুণ সন্তুষ্ট সেলেসাও বোর্ড এবং নতুন চুক্তিও খুব কাছাকাছি।

Manual3 Ad Code

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন চুক্তিতে সই করবেন ইতালিয়ান এ কোচ। এতে সেলেসাওর সঙ্গে আরও একটি বিশ্বকাপ চক্র নিশ্চিত হবে তার।

ছুটি শেষে আগামী শুক্রবার রিও ডি জেনেইরোতে ফিরছেন আনচেলত্তি। বর্তমানে চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা ও বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করছে সিবিএফের আইনি বিভাগ।

নতুন চুক্তিতে তার বর্তমান চুক্তির শর্তই বহাল থাকবে। বার্ষিক বেতন ধরা হয়েছে ১ কোটি ইউরো, সঙ্গে পারফরম্যান্সভিত্তিক বোনাসে কিছু সমন্বয় থাকবে।

বর্তমান কাজের কাঠামো নিয়ে সন্তুষ্ট আনচেলত্তি। কানাডা ও ব্রাজিল—দুই জায়গায় সময় ভাগ করে নেয়ার সুযোগ থাকায় আলোচনাকে তিনি স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্মতিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।

তার অধীনে ২০২৬ বিশ্বকাপ ঘিরে প্রত্যাশা বেড়েছে ব্রাজিল শিবিরে। জুন-জুলাইয়ের এ বিশ্ব আসরে গ্রুপ ‘সি’-তে খেলবে ব্রাজিল।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code