২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে যা বলল জাতিসংঘ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে যা বলল জাতিসংঘ

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র বলেছেন, বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক (বায়ে) ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Manual4 Ad Code

বাংলাদেশে ২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে আসছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যাবাসনের প্রসঙ্গটি উঠে আসে।

বাংলাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে অন্তত ১৪০০ জন নিহত হওয়ার তথ্য এবং হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা হিসেবে বাংলাদেশের একটি আদালতে শেখ হাসিনার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখপূর্বক এক সাংবাদিক জানতে চান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দিতে জাতিসংঘ মহাসচিব ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাবেন কি না

Manual2 Ad Code

জবাবে সরাসরি কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র ফারহান হক জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দেন। বলেন, বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত অপরাধীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে তিনি এই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

Manual8 Ad Code

তার কথায়, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে জবাবদিহিতা থাকা উচিত। এবং আপনি যেমনটি জানেন, যেমন আপনি এখন উল্লেখ করলেন, জাতিসংঘ নিজেই সংঘটিত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করেছিল। স্পষ্টতই, জবাবদিহিতা থাকা দরকার, তবে এটি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি মৌলিক শ্রদ্ধা রেখে করা দরকার।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code