৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ফাইনালে উঠে বড় অঙ্কের বোনাস পেলেন রাজশাহীর ক্রিকেটাররা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৪:৩৪ অপরাহ্ণ
ফাইনালে উঠে বড় অঙ্কের বোনাস পেলেন রাজশাহীর ক্রিকেটাররা

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বিপিএলের কোয়ালিফায়ার-২ এর ম্যাচে গতকাল (২১ জানুয়ারি) সিলেট টাইটান্সকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এমন জয়ের পর দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদেরকে ২৫ লাখ টাকার বোনাস দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি।
দল ফাইনালে ওঠায় মোটা অঙ্কের বোনাস পাচ্ছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

এর আগে গতকাল জয়ের পর টিম হোটেলে উদযাপনের সময়ে মজার ছলে বোনাস হিসেবে আইফোনের দাবি করেছিলেন ক্রিকেটার এবং ম্যানেজমেন্টের স্টাফরা। তবে আইফোন না মিললেও বড় অঙ্কের অর্থ মিলছে রাজশাহী দলের সদস্যদের। আজ (২২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বোনাসের খবর জানিয়েছে রাজশাহী।

Manual6 Ad Code

এদিকে, গতকাল মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেট টাইটান্সকে ১২ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রাজশাহী। টানিটান উত্তেজনার ম্যাচে শুরুতে ব্যাট করে ১৬৫ রান করে রাজশাহী। জবাব দিতে নেমে ১৫৩ রানে থামে সিলেট।

Manual8 Ad Code

ম্যাচে রাজশাহীর জয়ের নায়ক ছিলেন বিনুরা ফার্নান্দো। বাঁহাতি এই পেসার ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে নেন ৪টি উইকেট। ব্যাট হাতে রাজশাহীর হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন কেইন উইলিয়ামসন।৩৮ বলে অপরাজিত ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন ওইদিনই সকালে দেশে পা রাখা এই কিউই ব্যাটার।

Manual3 Ad Code

এছাড়া তানজিদ হাসান তামিম ১৫ বলে ৩২ এবং জেমস নিশাম ২৬ বলে ঝোড়ো ৪৪ রান করেন, যা রাজশাহীর স্কোর ১৬৫ পর্যন্ত নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখে।

Manual5 Ad Code

সিলেটের পক্ষে পারভেজ হোসেন ইমন ৪৮ রান এবং স্যাম বিলিংস ৩৭ রান করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি। শুরুতে দ্রুত উইকেট হারানো এবং মাঝের ওভারগুলোতে বিনুরা ফার্নান্দোর আঘাতেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় সিলেটের।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code