২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাপানকে উড়িয়ে দেয়ার ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনারের বিশ্বরেকর্ড

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ণ
জাপানকে উড়িয়ে দেয়ার ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনারের বিশ্বরেকর্ড

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বের ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। জাপানকে হারানোর ম্যাচে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরি করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার উইল মালাজকজুক।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্রুততম সেঞ্চুরি করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার উইল মালাজকজুক।

নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহোকে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জাপান। তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় স্কোর করতে পারেনি তারা। সর্বোচ্চ ৭৯ অপরাজিত ছিলেন হুগো তানি-কেলি।

Manual7 Ad Code

এছাড়াও, ওপেনার নিহার পারমার ৩৩, মন্টগোমেরি হারা-হিঞ্জে ২৯ এবং চার্লি হারা-হিঞ্জের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। তাতে ৫০ ওভার ব্যাটিং করে ৮ উইকেটে ২০১ রানের পুঁজি পায় জাপান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩ উইকেট নেন নাদেন কোরে।

Manual5 Ad Code

এই লক্ষ্য তাড়া করতে নিয়ে ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার উইল মালাজকজুক এবং নীতেশ স্যামুয়েল। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১৩৫ রান। যার ১০২ রানই আসে মালাজকজুকের ব্যাট থেকে। মাত্র ৫১ বলে শতক হাঁকিয়ে গড়েন বিশ্বরেকর্ড।

Manual6 Ad Code

এর আগে যুব বিশ্বকাপে সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল পাকিস্তানের কাসিম আকরামের দখলে। ২০২২ আসরে তিনি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৬৩ বলে শতক হাঁকিয়েছিলেন তার রেকর্ডই ভাঙলেন মালাজকজুক।

মালাজকজুক ছাড়াও স্যামুয়েল করেন ৬০ রান। মাত্র ২৯.১ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। রান তাড়ায় তারা হারায় দুইটি উইকেট।
যুব বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’ তে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচ জিতেও শ্রীলঙ্কা থেকে রান রেটে পিছিয়ে থাকার কারণে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। এদিকে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জাপানের।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code