২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আত্মপ্রকাশ হলো তারকাসমৃদ্ধ ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ণ
আত্মপ্রকাশ হলো তারকাসমৃদ্ধ ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি লিগের

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

ইউরোপে ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। নতুন এক ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক আসর শুরু করতে যাচ্ছে তারা। যার নাম ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগ (ইটিপিএল)। সাবেক ক্রিকেট তারকা ও বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনও এই লিগের মালিকানায় রয়েছেন।
ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।

Manual7 Ad Code

ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে খেলবেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ এবং টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ছয় দল নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা হবে আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক
লিগটির মালিকানায় যুক্ত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহ এবং বর্তমান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। পাশাপাশি বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন এই লিগের সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।

Manual5 Ad Code

নেদারল্যান্ডসের ফ্র্যাঞ্চাইজি আমস্টারডাম ফ্লেমসের মালিকানায় আছেন স্টিভ ওয়াহ। তিনি নিশ্চিত করেছেন, এই দলে স্টিভেন স্মিথ ও মিচেল মার্শ ছাড়াও নেদারল্যান্ডস দলের অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস খেলবেন। এছাড়া, অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার টিম ডেভিডকে দলে ভেড়ানোর বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন ওয়াহ।

অন্যদিকে, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সহ-মালিক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন আইরিশ উলভস দলের সঙ্গে। স্কটল্যান্ডভিত্তিক এডিনবরার ফ্র্যাঞ্চাইজিটি কিনেছেন সাবেক নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটার কাইল মিলস ও নাথান ম্যাককালাম। সব মিলিয়ে বিভিন্ন দেশের সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারদের সরাসরি সম্পৃক্ততা এই লিগের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ আগস্ট এবং চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এটি আইসিসি অনুমোদিত প্রথম বহুজাতিক ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। তবে এই সময়সূচির কারণে ক্যারিবীয়ান প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে সূচি সংঘর্ষের সম্ভাবনাও রয়েছে।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code