২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে কর্মী না পাঠানোর কথা ভাবছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ণ
মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে কর্মী না পাঠানোর কথা ভাবছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ গাজার জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠানো বন্ধ করার কথা বিবেচনা করছে, কারণ তারা দাবি করছে যে, এটি যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকায় সাহায্য প্রবাহ বৃদ্ধি করতে বা রাজনৈতিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কূটনীতিকরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে উপস্থিতি পুনর্বিবেচনা করছে কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্র।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের জন্য ট্রাম্পের পরিকল্পনার অধীনে অক্টোবরে দক্ষিণ ইসরাইলে বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র (সিএমসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটিকে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, সাহায্য প্রবেশের সুবিধা প্রদান এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ-পরবর্তী নীতিমালা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েক ডজন দেশ গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় প্রভাব রাখার জন্য সামরিক পরিকল্পনাকারী এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ কর্মীদের কেন্দ্রে পাঠিয়েছিল।

Manual8 Ad Code

কিন্তু আটজন বিদেশি কূটনীতিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের কর্মকর্তারা ক্রিসমাস এবং নববর্ষের ছুটির পর থেকে গাজা সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিএমসিসিতে ফিরে আসেননি। বেশ কয়েকটি দেশ কেন্দ্রটির উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল। এছাড়া একজন পশ্চিমা কূটনীতিক এটিকে ‘ডিরেকশনলেস’ বলে বর্ণনা করেছেন।

Manual7 Ad Code

‘সবাই মনে করে এটি একটি বিপর্যয়, কিন্তু এর কোনো বিকল্প নেই।’ আরেকজন পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন।রয়টার্স বলছে, গাজা, গ্রিনল্যান্ড এবং ভেনেজুয়েলার প্রতি ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির কারণে ইউরোপের দেশগুলো সেনা পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে, যা আগে রিপোর্ট করা হয়নি। এটি ওয়াশিংটনের মিত্রদের মধ্যে অস্বস্তির লক্ষণ বলেও মনে করছেন অনেকে।

কিছু ইউরোপীয় সরকার এখন তাদের সিএমসিসি উপস্থিতি কমানোর কথা কথা ভাবছে, অথবা কর্মী পাঠানো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার কথা ভাবছে, কূটনীতিকরা বলেছেন। তবে এই তালিকায় কোন কোন দেশের সরকার আছে তা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কূটনীতিকরা।
হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।

Manual4 Ad Code

সিএমসিসি একজন মার্কিন জেনারেল দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এখানে আমেরিকান এবং ইসরাইলি উভয় সামরিক কর্মীই কাজ করেন। ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল এর প্রতিষ্ঠা, যা গাজায় বারবার ইসরাইলি বিমান হামলার ফলে এটি দুর্বল হয়েছে। অথচ ইসরাইল দাবি করেছে হামাস হামলা চালানোর চেষ্টা করছে।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code