৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে কর্মী না পাঠানোর কথা ভাবছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ণ
মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে কর্মী না পাঠানোর কথা ভাবছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ গাজার জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন সমন্বয় কেন্দ্রে কর্মী পাঠানো বন্ধ করার কথা বিবেচনা করছে, কারণ তারা দাবি করছে যে, এটি যুদ্ধবিধ্বস্ত উপত্যকায় সাহায্য প্রবাহ বৃদ্ধি করতে বা রাজনৈতিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কূটনীতিকরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।মার্কিন-সমর্থিত গাজা ঘাঁটিতে উপস্থিতি পুনর্বিবেচনা করছে কিছু ইউরোপীয় রাষ্ট্র।

Manual7 Ad Code

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের জন্য ট্রাম্পের পরিকল্পনার অধীনে অক্টোবরে দক্ষিণ ইসরাইলে বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র (সিএমসিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটিকে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, সাহায্য প্রবেশের সুবিধা প্রদান এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের জন্য যুদ্ধ-পরবর্তী নীতিমালা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েক ডজন দেশ গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় প্রভাব রাখার জন্য সামরিক পরিকল্পনাকারী এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তাসহ কর্মীদের কেন্দ্রে পাঠিয়েছিল।

Manual8 Ad Code

কিন্তু আটজন বিদেশি কূটনীতিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন, কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের কর্মকর্তারা ক্রিসমাস এবং নববর্ষের ছুটির পর থেকে গাজা সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিএমসিসিতে ফিরে আসেননি। বেশ কয়েকটি দেশ কেন্দ্রটির উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল। এছাড়া একজন পশ্চিমা কূটনীতিক এটিকে ‘ডিরেকশনলেস’ বলে বর্ণনা করেছেন।

Manual2 Ad Code

‘সবাই মনে করে এটি একটি বিপর্যয়, কিন্তু এর কোনো বিকল্প নেই।’ আরেকজন পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন।রয়টার্স বলছে, গাজা, গ্রিনল্যান্ড এবং ভেনেজুয়েলার প্রতি ট্রাম্পের বৈদেশিক নীতির কারণে ইউরোপের দেশগুলো সেনা পাঠানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে, যা আগে রিপোর্ট করা হয়নি। এটি ওয়াশিংটনের মিত্রদের মধ্যে অস্বস্তির লক্ষণ বলেও মনে করছেন অনেকে।

কিছু ইউরোপীয় সরকার এখন তাদের সিএমসিসি উপস্থিতি কমানোর কথা কথা ভাবছে, অথবা কর্মী পাঠানো সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার কথা ভাবছে, কূটনীতিকরা বলেছেন। তবে এই তালিকায় কোন কোন দেশের সরকার আছে তা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন কূটনীতিকরা।
হোয়াইট হাউস এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।

সিএমসিসি একজন মার্কিন জেনারেল দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এখানে আমেরিকান এবং ইসরাইলি উভয় সামরিক কর্মীই কাজ করেন। ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার প্রথম পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল এর প্রতিষ্ঠা, যা গাজায় বারবার ইসরাইলি বিমান হামলার ফলে এটি দুর্বল হয়েছে। অথচ ইসরাইল দাবি করেছে হামাস হামলা চালানোর চেষ্টা করছে।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code