২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ণ
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকারী ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২২ সালে নারা শহরে একটি সমাবেশ চলার সময় সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা করার সাড়ে তিন বছর পর এই রায় দেয়া হলো।হত্যাকাণ্ডের পরপরই ২০২২ সালে তেতসুয়া ইয়ামাগামিকে গ্রেফতার করা হয়।

Manual4 Ad Code

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিবিসি জানায়, গত বছর বিচারের শুরুতে তেতসুয়া ইয়ামাগামি নিজেই অপরাধ স্বীকার করেছিলেন, কিন্তু তার শাস্তি কী হওয়া উচিত তা নিয়ে জাপানে মতবিরোধ দেখা যায়। যদিও অনেকে ৪৫ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে একজন নিষ্ঠুর খুনি হিসেবে দেখেন, কেউ কেউ তার ব্যক্তিগত সমস্যাপূর্ণ জীবনকেও সহানুভূতির চোখে দেখেছেন।

Manual2 Ad Code

এদিকে, প্রসিকিউটররা বলেছেন, ইয়ামাগামি তার গুরুতর কাজের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের যোগ্য। কারণ আবের হত্যাকাণ্ড দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
অন্যদিকে, নমনীয়তা কামনা করে, ইয়ামাগামির আইনজীবী দল বলেছিলেন যে তিনি ‘ধর্মীয় নির্যাতনের’ শিকার।

Manual4 Ad Code

জানা গেছে, ইউনিফিকেশন চার্চের প্রতি তার মায়ের ভক্তি পরিবারকে দেউলিয়া করে দিয়েছিল এবং বিতর্কিত গির্জার সাথে সাবেক নেতার সম্পর্ক বুঝতে পেরে ইয়ামাগামি আবে-র প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।
বুধবার সাজা শুনানিতে যোগদানের জন্য নারা জেলা আদালতের বাইরে প্রায় ৭০০ জন লোক লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন।

Manual7 Ad Code

প্রকাশ্য দিবালোকে বক্তৃতা দেয়ার সময় আবের মর্মান্তিক মৃত্যু ইউনিফিকেশন চার্চ এবং এর সন্দেহজনক অনুশীলনগুলোর বিরুদ্ধে তদন্তের সূত্রপাত করে, যার মধ্যে এর অনুসারীদের কাছ থেকে আর্থিকভাবে ধ্বংসাত্মক অনুদান চাওয়াও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code