২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ার রাজার কাছে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৩২ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার রাজার কাছে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মো. মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।রাজধানী কুয়ালালামপুরের রাজপ্রাসাদে এক জমকালো ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পরিচয়পত্র গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।মালয়েশিয়ার রাজা মহামান্য সুলতান ইব্রাহিম-এর কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরিচয়পত্র তুলে দেন।

Manual7 Ad Code

রাজধানী কুয়ালালামপুরের রাজপ্রাসাদ ইস্তানা নেগারা-তে এক জমকালো ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পরিচয়পত্র গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। প্রথা অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রদূত রাজপ্রাসাদে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপর তিনি রাজার কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও সরকারের পক্ষ থেকে প্রেরিত পরিচয়পত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।

Manual5 Ad Code

পরিচয়পত্র পেশ শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় মালয়েশিয়ার রাজা এবং বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। মো. মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পর্যটন ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Manual5 Ad Code

পেশাদার কূটনীতিক মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের দূত হিসেবে শামীম আহসানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এই দেশটিতে বাংলাদেশের বিশাল শ্রমবাজার এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক স্বার্থ বিদ্যমান থাকায় তার এই নিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code