২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আফগানিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
আফগানিস্তানের কাছে পাত্তাই পেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়েছে আফগানরা। তাতে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল রশিদ খানের দল।
প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজে অনায়াসে জয় পেল আফগানিস্তান।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে ইব্রাহিম জাদরান ও দারবিশ রসুলীর জোড়া ফিফটিতে ৩ উইকেটে ১৮১ রানের পুঁজি পায় আফগানিস্তান। রানের খাতা খোলার আগে উইকেট হারানো আফগানদের বড় স্কোর গড়তে জাদরান খেলেন ৫৬ বলে ৮৭ রানের ইনিংস।

অপরদিকে তাকে সঙ্গ দিয়ে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন রসুলীও। ৫৯ বলে ৮৪ রান করেছেন তিনি, যেখানে ছিল ৮টি চার ও দুইটি ছক্কা। রানের খাতা খোলার আগে গুরবাজ রান আউট হয়েছেন। আর আতাল ২ রান করে আউট হন।

Manual6 Ad Code

১৮২ রানের লক্ষ্যে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শুরুটাও ছিল নড়বড়ে। প্রথম ওভারেই অধিনায়ক ব্রেন্ডন কিংকে ফিরিয়ে দেন মুজিব উর রহমান। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই আরও দুই উইকেট হারায় ক্যারিবীয়রা।

Manual3 Ad Code

জনসন চার্লস ২৭ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও তাকেও এলবিডব্লিউ করেন মুজিব। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকায় রান তোলার চাপ বাড়তে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপর।

Manual7 Ad Code

মাঝের দিকে কোয়েন্টিন স্যাম্পসন (৩০) ও ম্যাথু ফোর্ডে (২৫) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। পরে মোতির ১৫ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা ফেরে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বড় হারের মুখ দেখতে হয় ক্যারিবীয়দের। ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতে ৩৮ রানে জয় পায় আফগানিস্তান।

রশিদ খান ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট, মুজিব নেন ২টি, আর জিয়াউর রহমান ৩ উইকেট শিকার করে শেষ পর্যন্ত ক্যারিবীয়দের ইনিংস ভেঙে দেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code