২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ট্রাম্পের সাথে উত্তেজনা গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
ট্রাম্পের সাথে উত্তেজনা গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের, স্বশাসিত ডেনিশ ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার হুমকির মধ্যে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা পাঠিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা পাঠালো ডেনমার্ক।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রয়্যাল ডেনিশ সেনাবাহিনীর প্রধান পিটার বয়েসেন এবং সৈন্যদের একটি উল্লেখযোগ্য দল পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের কাঙ্গারলুসুয়াকে অবতরণ করে।

পাবলিক ব্রডকাস্টার টিভি২ জানিয়েছে, ৫৮ জন ডেনিশ সেনা আর্কটিক অঞ্চলে অবতরণ করেছে এবং অপারেশন আর্কটিক এন্ডুরেন্স নামে চলমান বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য, আগে পাঠানো প্রায় ৬০ জন সেনার সাথে যোগ দিয়েছে।

Manual6 Ad Code

ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডেনিশ সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে সাড়া দেয়নি।

Manual5 Ad Code

ট্রাম্প বিশাল, খনিজ সমৃদ্ধ আর্কটিক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কয়েক ঘন্টা পরেই এই মোতায়েনের ঘটনা ঘটে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওয়াশিংটনের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেন।

Manual7 Ad Code

এদিকে, ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো নিয়ে প্রকাশ্যেই কথা বলেছে যদিও বারবার দাবি করেছে, এই অঞ্চলটি বিক্রির জন্য নয় এবং জোর করে দ্বীপটি দখলের যেকোনো পদক্ষেপ ন্যাটোর সমাপ্তি ডেকে আনবে।

গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার ট্রাম্পের জেদ, মার্কিন-ইউরোপীয় সম্পর্ককে কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছে এবং ন্যাটোর ভবিষ্যত নিয়ে আশঙ্কা তৈরি করেছে, যার ৩২ সদস্য দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ডেনমার্ক উভয়ই আছে।

এদিকে, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুট সোমবার ডেনিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ট্রোয়েলস লুন্ড পলসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোটজফেল্ডের সাথে দেখা করেছেন। ডেনিশ ভূখণ্ডে একটি যৌথ ন্যাটো মিশন প্রতিষ্ঠাসহ আর্কটিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা করতে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code