২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রবেশে ব্যর্থ: ৬ বাংলাদেশিসহ ৯ বিদেশিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ণ
প্রবেশে ব্যর্থ: ৬ বাংলাদেশিসহ ৯ বিদেশিকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

মালয়েশিয়ার বুকিত কায়ু হিতাম সীমান্ত দিয়ে দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক। প্রয়োজনীয় অনুমতি ও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, কোয়ারেন্টাইন ও সিকিউরিটি কমপ্লেক্স (আইসিকিউএস) কর্তৃপক্ষ তাদের প্রবেশে বাধা দেয়।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে নিজ নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

Manual3 Ad Code

বুকিত কায়ু হিতাম বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সির (একেপিএস) কমান্ডার সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার মো. নাসারুদ্দিন এম. নাসির জানান, ফেরত পাঠানো বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য স্থলপথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের অনুমতি না থাকায় তাদের প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, দেশটির ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে থাইল্যান্ড সীমান্ত হয়ে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে অভিযানে কারও মালামাল বা ব্যক্তিগত সামগ্রী জব্দ করা হয়নি।

একই সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি আরও তিন বিদেশির মালয়েশিয়ায় প্রবেশও বাতিল করা হয়েছে। তারা তাইওয়ান, ভারত ও হংকংয়ের নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কড়া অবস্থানের কথা জানিয়ে কমান্ডার মো. নাসারুদ্দিন বলেন, দেশের সব প্রবেশপথে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং ইমিগ্রেশন আইনের অপব্যবহার রোধে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code