২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের চিরুনি অভিযান, ২৫ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৯

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের চিরুনি অভিযান, ২৫ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৯

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক নাটকীয় অভিযানে ২৫ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৭৯ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জালান চৌকিত এলাকার একটি ১৯তলা পুরনো অ্যাপার্টমেন্টে এই অভিযান চালানো হয়।

অভিযান শুরুর পর অনেক প্রবাসী ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে আত্মগোপনের চেষ্টা করেন। বারবার কড়া নাড়ার পরও সাড়া না পাওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

Manual2 Ad Code

তল্লাশিকালে দেখা যায়, কেউ পুরনো মালামালের স্তূপের পেছনে, আবার কেউ রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে লুকিয়ে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।

Manual2 Ad Code

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের (অপারেশন) উপ-মহাপরিচালক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, অভিযানে আটক ৭৯ জনের মধ্যে ২৩ জন নারী। আটকদের বয়স ১৭ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। আটকের তালিকায় ইন্দোনেশিয়ার ৩৯, বাংলাদেশের ২৫, নেপালের ১০, ভারতের ২, পাকিস্তানের ২ ও মিয়ানমারের ১ জন নাগরিক রয়েছে।

Manual4 Ad Code

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা লোকমান আরও জানান, যে অ্যাপার্টমেন্টে প্রবাসীরা বসবাস করছিলেন সেটি বসবাসের অযোগ্য। চারদিকে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ও দুর্গন্ধের কারণে সেখানে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। আটকদের অধিকাংশই স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তা প্রহরী এবং নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

Manual2 Ad Code

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসী এবং তাদের আশ্রয়দাতা বা নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘৩৬০ ডিগ্রি’ কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে আটকদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ৬(১)(সি) এবং ধারা ১৫(১)(সি) অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code