২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ে সতর্ক করলো কাতার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নিয়ে সতর্ক করলো কাতার

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকি নিয়ে সতর্ক করেছে কাতার। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, এই হুমকি থেকে পুরো অঞ্চলে সংঘাত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যার ফল হতে পারে ‘বিপর্যয়কর’। খবর আল জাজিরার।কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি।

Manual5 Ad Code

ডলারের বিপরীতে রিয়ালের রেকর্ড দরপতন এবং এর প্রেক্ষিতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর রাস্তা নামেন তেহরানের ব্যবসায়ীরা। এরপর তা তেহরানের বাইরে কারাজ, ইসফাহান, শিরাজ, কেরমানশাহসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভে অংশ নেয় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা।

ইরানি কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে চলমান অস্থিরতা উস্কে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছে এবং সেই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে। ফলে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা।

Manual7 Ad Code

এরই মধ্যে ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন যে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সরকারের অব্যাহত দমন-পীড়ন চললে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে হস্তক্ষেপ করবে। সেক্ষেত্রে তারা ‘শক্তিশালী বিকল্প’ বিবেচনা করছে। যার মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Manual6 Ad Code

জবাবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, তার দেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

ওয়াশিংটন যদি ‘পরীক্ষা’ করতে চায় তবে তার দেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছে। দুই দেশের মধ্যে এমন উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

এরই ধারাবাহিকতায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র কাতারও উদ্বেগ জানালো।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দোহায় এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা প্রাণঘাতী বিক্ষোভের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধের হুমকির মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছে কাতার।

তার কথায়, ‘বর্তমান উত্তেজনা এই অঞ্চলে উত্তেজনার সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং আমরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। আমরা জানি যে যেকোনো উত্তেজনা … এই অঞ্চলে এবং তার বাইরেও বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনবে এবং তাই, আমরা যতটা সম্ভব তা এড়াতে চাই।’

আল-আনসারি আরও বলেন, আঞ্চলিক সংকট সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো কূটনীতি এবং ‘আমরা আমাদের প্রতিবেশী এবং অংশীদারদের সাথে এটি নিয়ে কাজ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্ত করার এবং ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে বিরোধ সমাধানের লক্ষ্যে যোগাযোগের একটি পক্ষ।’

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code