২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মুসলিম ব্রাদারহুডের তিন শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৪, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মুসলিম ব্রাদারহুডের তিন শাখাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বিশ্বজুড়ে ইসরাইলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে মিশর, লেবানন এবং জর্ডানের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত নভেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনকে মুসলিম ব্রাদারহুডের তিনটি শাখাকে কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনকে এই গোষ্ঠীগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করার কয়েক সপ্তাহ পরে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Manual6 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুসলিম ব্রাদারহুডের মিশর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণিভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘মুসলিম ব্রাদারহুডের সহিংসতা এবং অস্থিতিশীলতা যেখানেই ঘটুক না কেন তা প্রতিহত করার জন্য চলমান, টেকসই প্রচেষ্টার প্রাথমিক পদক্ষেপের প্রতিফলন ঘটায় এই নিষেধাজ্ঞা।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদে জড়িত হওয়া বা সমর্থন করার জন্য এই মুসলিম ব্রাদারহুড শাখাগুলোকে সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব উপলব্ধ উপায় ব্যবহার করবে।’

Manual7 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের এই তালিকাভুক্তি সংগঠনগুলো বস্তুগত সহায়তা প্রদানকে অবৈধ করে তোলে। একই সঙ্গে তাদের বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে এবং তাদের রাজস্ব প্রবাহ বন্ধ করার জন্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।১

Manual1 Ad Code

৯২৮ সালে মিশরীয় মুসলিম পণ্ডিত হাসান আল-বান্না প্রতিষ্ঠিত মুসলিম ব্রাদারহুডের মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন শাখা রয়েছে। সংগঠনটির দাবি, তারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code