২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

অবসরের ঘোষণা দিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
অবসরের ঘোষণা দিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

অবসরের ঘোষণা দিলেন অস্ট্রেলিয়া নারী দলের অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি। ভারতের বিপক্ষে ফেব্রুয়ারি–মার্চে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় পূর্ণাঙ্গ সিরিজের পরই ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন তিনি।
অ্যালিসা হিলি।

২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় হিলির। এরপর ১৫ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি ওয়ানডেতে সাড়ে ৩ হাজার এবং টি–টোয়েন্টিতে ৩ হাজার ৫৪ রান করেছেন।

টি–টোয়েন্টিতে তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৪৮* রান পূর্ণ সদস্যভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড।

Manual1 Ad Code

উইলো টক পডকাস্টে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়ে হিলি বলেন, ‘এটা অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছিল। গত কয়েক বছর শারীরিকের চেয়ে মানসিকভাবে বেশি ক্লান্তিকর ছিল।

চোটও ছিল, আর ভেতরের শক্তিটা ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছিল। বারবার নিজেকে নতুন করে উজাড় করে দেয়াটা কঠিন হয়ে যাচ্ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সব সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ও জিততে চেয়েছি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটা পুরোপুরি হারাইনি, কিন্তু কিছুটা কমেছে। গত মৌসুমের ডব্লিউবিবিএল (নারী বিগ ব্যাশ) আমার জন্য একটা সতর্কবার্তা ছিল।

একদিন সকালে উঠে মনে হওয়া—‘আরেকটা সাধারণ ক্রিকেটময় দিন’। আমাকেই অবাক করেছিল (এমন ভাবনা)। কারণ আমি ভাবতাম, আমি এখনো খেলাটাকে ভালোবাসি।’

Manual2 Ad Code

ভারতের বিপক্ষে খেলা তার শেষ সিরিজের টি-টোয়েন্টিতে অংশ নেবেন না হিলি। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচগুলোতে অংশ নেবেন তিনি। পরে ৬ থেকে ৯ মার্চ পার্থে ওয়াকা স্টেডিয়ামে দিন–রাতের টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে নিজের ১১তম ও শেষ টেস্ট খেলেই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন মিচেল স্টার্কের স্ত্রী।

Manual6 Ad Code

এদিকে হিলির অবসরের সিদ্ধান্তের ফলে ২০২৬ নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন অধিনায়কের অধীনে খেলবে অস্ট্রেলিয়া।ক্যারিয়ারে হিলি ছয়টি নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং দুটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে তিনি আইসিসি নারী টি–টোয়েন্টি বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি পান।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code