২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

সৌদি-পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে যুক্ত হচ্ছে তুরস্ক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদি-পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে যুক্ত হচ্ছে তুরস্ক

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে তৃতীয় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে তুরস্ক।

শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

Manual4 Ad Code

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের নিরাপত্তা জোটে তৃতীয় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে তুরস্ক।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসডিএমএ জোটে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে গত অক্টোবর থেকে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তুরস্কের আলোচনা চলছিল। আলোচনা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে জোটে যোগ দেবে তুরস্ক।

গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক মিউচ্যুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট (এসডিএমএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করা না হলেও দুই দেশের কর্মকর্তারা জানান, চুক্তিভুক্ত কোনো দেশের ওপর বহিঃশক্তির হামলা হলে অপর দেশ সর্বাত্মকভাবে আক্রান্ত দেশের পাশে থাকবে।

Manual2 Ad Code

চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে পাকিস্তানের পরমাণু সক্ষমতার বিষয়টি উঠে এসেছে। পাকিস্তান বিশ্বের একমাত্র মুসলিম দেশ, যার পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। চুক্তির আওতায় এই সক্ষমতাও অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ৬ লাখ সদস্যের সেনাবাহিনী নিয়ে পাকিস্তান বিশ্বের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর অন্যতম।

Manual6 Ad Code

চুক্তি স্বাক্ষরের দুই দিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই চুক্তিটি ন্যাটোর আদলে তৈরি করা হয়েছে। এটি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়। কোনো দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সুযোগ এখানে নেই। তবে সৌদি আরব বা পাকিস্তানের ওপর হামলা হলে সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করা হবে।১১১১ঙ১১১

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code