২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা চালানো হতে পারে’, শঙ্কা ইরানের নোবেলজয়ী শিরিনের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৯:২১ পূর্বাহ্ণ
ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা চালানো হতে পারে’, শঙ্কা ইরানের নোবেলজয়ী শিরিনের

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার (ইন্টারনেট বন্ধ) আড়ালে তেহরান কর্তৃপক্ষ ‘গণহত্যা’ চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী শিরিন এবাদি।

তিনি পশ্চিমা সরকারগুলোর প্রতি অবিলম্বে এ বিষয়ে মুখ খোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী শিরিন এবাদি।

গেল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এবাদি বলেন, ‘আমাকে আজ রাতে জরুরি ভিত্তিতে কথা বলতে হচ্ছে। বিশ্বাসযোগ্য তথ্য রয়েছে যে ইরানে ব্যাপক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে এই রাতকে গণহত্যায় পরিণত করার চেষ্টা করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন,
ইরানিরা শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নেমেছে, আর তাদের জবাব দেয়া হয়েছে গুলিবর্ষণের মাধ্যমে। ইরানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়; এটি একটি কৌশল।
পশ্চিমা সরকার ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর উদ্দেশে এবাদি বলেন, ‘নীরবতা কার্যত অনুমতি দেয়ার শামিল হবে।’

Manual2 Ad Code

বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করা, হাসপাতালগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং অবিলম্বে যোগাযোগ বা ইন্টারনেট পুনরুদ্ধারের জন্য ‘প্রকাশ্য চাপ সৃষ্টির’ আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে লক্ষ্য করে ‘পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে জানা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র রোববার (১১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালকে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, গত এক সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এই সরঞ্জাম ও সামরিক সম্পদের স্থানান্তর অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Manual3 Ad Code

তারা আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের পরই (ইরানে) কেবল ইসরাইল এতে অংশ নেবে। তবে সেটিও তখনই, যদি ইরান ইসরাইলের ওপর হামলা চালায় অথবা হামলার স্পষ্ট প্রস্তুতির লক্ষণ দেখা যায়। এদিকে ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে এমন আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে ইসরাইল।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code