২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানের বিক্ষোভ দমনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত সরকারের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
ইরানের বিক্ষোভ দমনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত সরকারের

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরানের কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) তেহরানের বিপ্লবী গার্ডরা অস্থিরতার জন্য ‘সন্ত্রাসীদের’ উপর দোষ চাপিয়েছে এবং শাসক ব্যবস্থাকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

Manual2 Ad Code

ইরানের তেহরানে সরকারবিরোধী অস্থিরতার মধ্যে যানবাহন পুড়িয়ে দেয়ার সময় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হচ্ছে।

Manual5 Ad Code

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে সতর্ক করে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করতে পারে। তার একদিন পরই দেশজুড়ে নতুন করে সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে। যদিও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অস্থিরতার পুরোপুরি খবর জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ইরানের শেষ শাহের নির্বাসিত পুত্র, যিনি বিরোধী দলের একজন বিশিষ্ট কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, তিনি ধর্মীয় শাসকদের উৎখাতের জন্য বিক্ষোভকে বিদ্রোহে পরিণত করার জন্য সবচেয়ে জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের পশ্চিমে কারাজে একটি পৌর ভবনে আগুন লাগানো হয়েছে এবং দাঙ্গাকারীদের দায়ী করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টিভি শিরাজ, কোম এবং হামেদান শহরে বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের শেষকৃত্যের ফুটেজ সম্প্রচার করেছে।
এদিকে, শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, তেহরানে বিশাল জনতা জড়ো হয়েছে এবং রাতে রাস্তায় আগুন জ্বলছে।

২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরান জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির প্রতিক্রিয়ায় বিক্ষোভ শুরু হয় কিন্তু দ্রুত তা রাজনৈতিক রূপ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত সরকারবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়। তবে, কর্তৃপক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে অস্থিরতা উসকে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছে।

Manual8 Ad Code

ইরানের মানবাধিকার সংস্থা (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, কয়েকদিনের সংঘাতে কমপক্ষে ৫০ জন বিক্ষোভকারী এবং ১৫ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২,৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code