২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল। এরই মধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে মেলবোর্নের অদূরে কয়েকটি উপশহর। দাবানল গ্রাস করেছে ৩৬ হাজার হেক্টর বনভূমি। অন্তত তিনজন নিখোঁজ আছেন। প্রত্যন্ত এসব অঞ্চলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না বলে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার ইয়েয়া শহরের চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে।

নতুন বছরের শুরুতেই ভয়াবহ দাবানলের কবলে অস্ট্রেলিয়া। স্থানীয় সময় গত বুধবার মেলবোর্ন ও এর আশেপাশের তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়। তীব্র গরম আর শুষ্ক দমকা হাওয়ায় ভিক্টরিয়া রাজ্যের বনভূমিতে দেখা দেয় দাবানল।

Manual4 Ad Code

নিয়ন্ত্রণহীন আগুনে মেলবোর্ন থেকে ১৭৫ কিলোমিটার উত্তরের লংউড ও রাফি উপশহর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কয়েকজন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ভিক্টোরিয়া রাজ্য ও নিউ সাউথ ওয়েলসের উচ্চতাপমাত্রা প্রবণ এলাকায় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের।

Manual5 Ad Code

তবে বাড়তি সতর্কতা ও দমকল বাহিনীর সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মাত্র কয়েক ঘন্টায় ভিক্টরিয়া ও নিউ সাউথ ওয়েলসের কয়েকটি আবাসিক অঞ্চলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি উপশহরে প্রায় ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

Manual2 Ad Code

গৃহহীন অনেকেই কাছের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সব ধরণের সহায়তার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে। প্রত্যন্ত এসব অঞ্চলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা স্থায়ীভাবে বসবাস করেননা বলে জানা গেছে। তীব্র দাবদাহের মধ্যেই গ্রীষ্ম মন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদফতর।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code