২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে শুরু হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে শুরু হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে শুরু হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স শো’ বা সিইএস। এরই মধ্যে মেলা জমে উঠেছে।

মেলার প্রধান আকর্ষণ মানুষের মতো দেখতে হিউম্যানয়েড রোবট। মানুষের মতো নানা কাজ করতে সক্ষম এসব রোবট। এই ধরনের প্রযুক্তি বিশ্বকে এগিয়ে নেবে বলে আশাবাদী দর্শনার্থীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে শুরু হয়েছে চারদিনব্যাপী ‘কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স শো’ বা সিইএস। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে এবার সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে হিউম্যানয়েড রোবট।

Manual8 Ad Code

এই প্রদর্শনীতে দর্শকরা মানুষের মতো দেখতে রোবটগুলোর স্টলে ভিড় জমান। নাচা, বাজার করা, হাসপাতালের কাজে সহায়তা এমনকি ব্ল্যাকজ্যাক কার্ড বিলানো, সবই করছে মানুষের মতো দেখতে এই রোবট।

মেলার প্রথমদিনেই একাধিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রদর্শন করেছে আধুনিক হিউম্যানয়েড রোবট। কিছু রোবট দোকান থেকে পণ্য বেছে নিচ্ছে ও তাক ভরছে, কিছু স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা ও একাকীত্ব কমানোর জন্য ডিজাইন করা, আবার একটি রোবট ক্যাসিনো গেম ব্ল্যাকজ্যাকও ডিল করে নজর কারছে দর্শনার্থীদের।

Manual7 Ad Code

রিটেইল ও কনভিনিয়েন্স স্টোরে রোবটগুলো পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করছে। গ্রাহকরা আইপ্যাডে অর্ডার দিলে, রোবট সেই অর্ডার গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট পণ্যটি তুলে নিয়ে আসে। এছাড়া গুদামঘর, কারখানা ও ফার্মেসিতেও এসব রোবট কাজ করছে।

Manual5 Ad Code

মেলায় আসা দর্শনার্থীরা জানান, এ ধরণের রোবট তাদের দৈনন্দিন কাজ যেমন বিছানা গুছিয়ে দেওয়া ও ঘর পরিষ্কার করা আরও সহজ করে দেবে। তাদের মতে, এই ধরনের প্রযুক্তি বিশ্বকে অনেকটাই এগিয়ে নেবে।

প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্নও উঠছে। এই রোবটগুলো ভবিষ্যতে মানুষের জীবনে ঠিক কীভাবে জায়গা করে নেবে, তা নিয়ে অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিউম্যানয়েড রোবটের এই অগ্রগতি ভবিষ্যতে দৈনন্দিন জীবনের ধরণই বদলে দিতে পারে।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code