২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসছে বিদ্যুৎচালিত নৌযান

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসছে বিদ্যুৎচালিত নৌযান

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

গ্যাস বা ডিজেলচালিত নৌকা সরিয়ে এবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আসতে চলেছে বিদ্যুৎচালিত নৌযান। এরই অংশ হিসেবে নৌযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর্কের তৈরি বৈদ্যুতিক স্পোর্ট ইভি পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হচ্ছে নেভাডায়।

Manual3 Ad Code

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের লেক মিডে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এই নৌকাটি।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সাধারণ গ্যাসচালিত নৌকার তুলনায় এটি বহুগুণে পরিবেশবান্ধব। প্রাথমিকভাবে স্পোর্টস ইভি দিয়ে পথচলা শুরু হলেও ভবিষ্যতে মাছ ধরার নৌকা, অবসর যাপনের নৌযান এবং ফেরির মতো বাণিজ্যিক জাহাজ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে আর্কের।

Manual5 Ad Code

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা অঙ্গরাজ্যের লেক মিডে পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়েছে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক এই নৌকাটি। যা তৈরি করেছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান আর্ক। প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশল দলে রয়েছেন বৈদ্যুতিক যানবাহন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও রিভিয়ানের সাবেক প্রকৌশলীরা।

নির্মাতাদের দাবি, পানিতে চলাচলের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎচালিত নৌকা গ্যাসচালিত নৌকার তুলনায় বেশি পরিবেশবান্ধব। কারণ, এটি চলার সময় পানিতে কোনো ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ করে না।

আর্কের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মিচ লি জানান, আর্ক স্পোর্ট ইভিতে রয়েছে ৫০০ হর্সপাওয়ারের ইলেকট্রিক ড্রাইভট্রেইন। এতে নৌকাটি দ্রুতগতির হলেও শব্দ অত্যন্ত কম। গ্যাস ইঞ্জিনের মতো ধোঁয়া বা তীব্র কম্পন নেই। রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলাও তুলনামূলক অনেক কম। একবার পুরোপুরি চার্জ দিলে নৌকাটি গড়ে চার থেকে ছয় ঘণ্টা ব্যবহার করা যায়।

বিশেষভাবে পানিনির্ভর খেলাধুলার জন্য নির্মিত আর্ক স্পোর্ট ইভির বড় শক্তি এর সফটওয়্যার ব্যবস্থা। নৌকার মাঝখানে থাকা বড় টাচস্ক্রিনে চালক নিজের পছন্দমতো তথ্য বেছে নিতে পারেন। নৌকার ভারসাম্য রক্ষা, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সবকিছুই একটি বোতাম ছুঁয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এতে পানির ওপর খেলাধুলা আরও নিয়ন্ত্রিত ও নির্ভুল হয়।

Manual1 Ad Code

আর্ক স্পোর্ট ইভির মূল্য শুরু হচ্ছে দুই লাখ আটষট্টি হাজার মার্কিন ডলার থেকে। দাম বেশি হলেও আর্ক বলছে, এটি প্রিমিয়াম গ্যাসচালিত ওয়েক স্পোর্ট নৌকাকে সরাসরি টক্কর দেবে। মিচ লি জানান, একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মাছ ধরার নৌকা, অবসর যাপনের নৌযান এবং ফেরির মতো বাণিজ্যিক জাহাজ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code