২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নারী ফুটবল লিগ আলপির হ্যাটট্রিকে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো রাজশাহী

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ণ
নারী ফুটবল লিগ আলপির হ্যাটট্রিকে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো রাজশাহী

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

উইমেন্স ফুটবল লিগে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে (বিকেএসপি) হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো রাজশাহী স্টারস।

Manual1 Ad Code

বুধবার (৭ জানুয়ারি) কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলের জয় পেয়েছে আফঈদা খন্দকারের দল। দলের হয়ে এদিন হ্যাটট্রিক করেছেন আলপি আক্তার।
নারী ফুটবল লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো রাজশাহী স্টারস।

Manual6 Ad Code

দিনের অন্য ম্যাচে জয় পেয়েছে সদ্যপুস্করনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব ও ঢাকা রেঞ্জার্স। মিম ইসলাম ও পায়েল রানীর হ্যাটট্রিকে কাচারিপাড়া একাদশকে ৯-০ গোলে হারিয়েছে সদ্যপুস্করনী। আরেক ম্যাচে কল্পনা আক্তারের পেনাল্টি গোলে সিরাজ স্মৃতি সংসদকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ঢাকা রেঞ্জার্স।

গোলকিপার মেঘলা রানী রায়ের ভুলে তৃতীয় মিনিটে গোল হজম করে বিকেএসপি। মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা বল ক্লিয়ার করতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে শট নেন মেঘলা, কিন্তু ঠিকঠাক শট নিতে ব্যর্থ হন তিনি। আর তাতেই বল পেয়ে যান আলপি আক্তার। সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি এই ফুটবলার।

Manual7 Ad Code

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে আবারও জালের দেখা পান আলপি। অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে বেরিয়ে হেডে একটু এগিয়ে নিয়ে নিখুঁত শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি।

একটু পর আফঈদা খন্দকারের দূরপাল্লার শট গোলকিপারের গ্লাভস গলে বেরিয়ে পেরিয়ে যায় গোললাইন। ৭১তম মিনিটে নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন আলপি। তাতে টানা দ্বিতীয় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রাজশাহী স্টারস

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code