২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন সিনেটরের হুঁশিয়ারি ‘প্রয়োজনে খামেনিকে হত্যা করতে পারেন ট্রাম্প

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ণ
মার্কিন সিনেটরের হুঁশিয়ারি ‘প্রয়োজনে খামেনিকে হত্যা করতে পারেন ট্রাম্প

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

ইরানের জনগণকে রক্ষায় প্রয়োজনে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সরাসরি এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও ডনাল্ড ট্রাম্প।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রাহাম বলেন, ‘আয়াতুল্লাহদের বলছি—আপনাদের বুঝতে হবে, আপনারা যদি ভালো জীবনের দাবিতে রাস্তায় নামা নিজ জনগণকে হত্যা করতে থাকেন, তাহলে ডনাল্ড জে ট্রাম্প আপনাদের হত্যা করবেন।’

গ্রাহাম আরও বলেন, ইরানে পরিবর্তন আসছে এবং এই আন্দোলন মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে বড় মোড় নিতে পারে।
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটের জেরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ। এই সুযোগে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করছে যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প খামেনি প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করা হলে শক্তিশালি প্রতিক্রিয়া দেখাবে ওয়াশিংটন।

এরমধ্যেই, ইরানে মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রা সংকট ঘিরে বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে দেশটির বিচার বিভাগ। ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই বলেছেন, যারা রাস্তায় নেমে দাঙ্গায় অংশ নিচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে বা সহায়তা করছে তাদের কোনো অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। বিক্ষোভ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, রাষ্ট্র এসব কার্যকলাপ সহ্য করবে না।

অন্যদিকে, ইরানের ক্ষমতাচ্যুত শাহের পুত্র রেজা পাহলভি বুধবার এক ভিডিও বার্তায় দেশটির সশস্ত্র ও নিরাপত্তা বাহিনীকে জনগণের পক্ষে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানান। এসময় তিনি আরও জোরালো আন্দোলনের ডাক দেন।

Manual7 Ad Code

রেজা পাহলভি বলেন, ইরানের সশস্ত্র ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সরাসরি আমার এ বার্তা। আপনারা যারা ইরানি জাতিকে রক্ষা করার জন্য সামরিক পোশাক পরেছেন এবং এখন এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, আপনারা ইতিহাসের কোন পাশে দাঁড়াবেন? অপরাধীদের পাশে, নাকি জনগণের পাশে?

ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা বাহিনীকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দমনমূলক ব্যবস্থা না নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারী আর সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের মধ্যে পার্থক্য করতে হবে।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code