৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

মালয়েশিয়ায় বিপুল পরিমাণ কচ্ছপ উদ্ধার, বাংলাদেশি আটক

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় বিপুল পরিমাণ কচ্ছপ উদ্ধার, বাংলাদেশি আটক

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

মালয়েশিয়ার পেনাং প্রদেশে বন্যপ্রাণী পাচারবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ কচ্ছপ উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের মূল হোতা হিসেবে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রদেশের বাটারওয়ার্থের বাগান লালাং এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়।

Manual7 Ad Code

দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিত্যক্ত বাড়িকে আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল পাচারকারীরা। সেখানে শত শত কচ্ছপ সংগ্রহ করে বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা হতো।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পেনাং বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগ (পারহিলিটান) এবং রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশ যৌথভাবে এই আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালীন অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কয়েক ডজন প্লাস্টিকের বালতি এবং কন্টেইনারে বন্দি অবস্থায় প্রচুর সংরক্ষিত প্রজাতির কচ্ছপ পাওয়া যায়।উদ্ধারকৃত প্রজাতির মধ্যে রয়েছে লাবি-লাবি, কুরা-কুরা কাতুপ, কুরা-কুরা কোলাম, চাইনিজ স্ট্রাইপ-নেকড টার্টল ও রেড-ইয়ারড স্লাইডার।

ঘটনাস্থল থেকে আটক বাংলাদেশি নাগরিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের কোনো বৈধ লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি। বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগের মহাপরিচালক আব্দুল কাদির আবু হাশিম জানান, জব্দকৃত কচ্ছপগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ হাজার রিঙ্গিত।

তিনি আরও বলেন, চলতি বছরে এই রাজ্যে কচ্ছপ জব্দের সবচেয়ে বড় ঘটনা। আন্তর্জাতিক এই পাচার চক্রের বাকি সদস্যদের শনাক্ত করতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির স্মার্টফোন এবং পাসপোর্টের কপি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

উদ্ধারকৃত সব প্রাণী বর্তমানে পেনাং বন্যপ্রাণী ও জাতীয় উদ্যান বিভাগের অফিসে রাখা হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার নেপথ্যে থাকা পুরো চক্রটিকে ধরতে তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code