২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

এজেন্টের খপ্পর থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে বাংলাদেশি তরুণের ‘অনন্য স্টার্টআপ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ণ
এজেন্টের খপ্পর থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে বাংলাদেশি তরুণের ‘অনন্য স্টার্টআপ

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে গিয়ে প্রায়শই একশ্রেণির অসাধু এজেন্সির খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার।

বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় উচ্চশিক্ষার নামে চটকদার বিজ্ঞাপনে প্রলুব্ধ করে নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলার নজির নতুন নয়।

জুবায়ের বর্তমানে মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মালয়েশিয়া (ইউটিএম)-এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।

শিক্ষার্থীদের এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এবং উচ্চশিক্ষা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও ‘সার্ভিস চার্জ’ বিহীন এক অভিনব প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশি তরুণ মো. জুবায়ের ইসলাম। তার প্রতিষ্ঠিত স্টার্টআপটির নাম ‘ইউনিঅ্যাপ্লাইঅনলাইন ডটকম (www.uniapplyonline.com)।

জুবায়ের বর্তমানে মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ইউনিভার্সিটি টেকনোলজি মালয়েশিয়া (ইউটিএম)-এ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন। নিজের দেখা অভিজ্ঞতা এবং সহপাঠীদের ভোগান্তি লাঘবে ২০২৪ সালে তিনি গড়ে তোলেন বাংলাদেশের প্রথম এই অনলাইন ভিত্তিক এডু-টেক স্টার্টআপ।

সাধারণত মালয়েশিয়া আসতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের অনেক এজেন্সি নিজেদের লাভের জন্য ভুল পথে পরিচালিত করে। নিম্ন র‍্যাঙ্কিংয়ের বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেরা’ বলে চালিয়ে দেয়া কিংবা ‘হিডেন চার্জের’ মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

জুবায়েরের এই স্টার্টআপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কোনো থার্ড পার্টি বা এজেন্টের সাহায্য ছাড়াই বিশ্বের শীর্ষ র‍্যাঙ্কিংয়ে থাকা মালয়েশিয়ার পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরাসরি আবেদন করতে পারছেন।

শিক্ষার্থীরা যেসব সুবিধা পাচ্ছেন

স্বচ্ছ তথ্য: বিশ্ববিদ্যালয়ের সঠিক র‍্যাঙ্কিং, প্রকৃত খরচ এবং কোর্স সম্পর্কে নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য।

Manual7 Ad Code

সরাসরি যোগাযোগ: বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল প্রতিনিধিদের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ।

Manual2 Ad Code

জিরো সার্ভিস চার্জ: কোনো প্রকার বাড়তি বা গোপন খরচ ছাড়াই পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন।

শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ: গত দুই বছরে এই প্ল্যাটফর্মের সহায়তায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ইউটিএম, ইউএম, এবং ইউপিএম এর মতো বিশ্বসেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

মো. জুবায়ের ইসলাম সময় সংবাদকে বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো একটি আস্থার জায়গা তৈরি করা। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী সঠিক তথ্যের অভাবে নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্যারিয়ার নষ্ট করেন।

Manual1 Ad Code

আমরা চাই প্রতিটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী যেন নিজেই নিজের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন। এই স্বচ্ছতা বজায় থাকলে বিদেশে উচ্চশিক্ষার পথ শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহজ ও মসৃণ হবে।’

বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটি মালয়েশিয়া ভিত্তিক উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করলেও ভবিষ্যতে এটি আরও বড় পরিসরে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সারথি হতে চায়।

Manual2 Ad Code

জুবায়েরের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি এরইমধ্যে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code