২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে যা জানাল হোয়াইট হাউস

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ণ
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে যা জানাল হোয়াইট হাউস

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউরোপ এবং কানাডার নেতারা আর্কটিক অঞ্চলটি সেখানকার জনগণের মালিকানাধীণ বলে দাবি করার পর এই পদক্ষেপের কথা জানালো যুক্তরাষ্ট্র।

Manual1 Ad Code

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। যার মধ্যে সামরিক ব্যবহারও রয়েছে, জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

Manual5 Ad Code

বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। নল্যান্ড অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন। যা আর্কটিক অঞ্চলে আমাদের প্রতিপক্ষদের প্রতিহত করার জন্য প্রয়োজনীয়।

এ কারণে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতির লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে বলা হয়েছে, এই লক্ষ্য অর্জনে মার্কিন সামরিক বাহিনীকেও ব্যবহার করা হতে পারে।

Manual6 Ad Code

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটের জন্য ধাক্কা হতে পারে এবং ট্রাম্প এবং ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে বিভেদ আরও গভীর করতে পারে।

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি তার আগ্রহ, যা প্রাথমিকভাবে ২০১৯ সালে তার প্রথম মেয়াদে প্রকাশ পেয়েছিল, সম্প্রতি কারাকাসে হামলার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অপহরণের পর আবার তা জেগে উঠেছে।

এই অভিযানের প্রতি উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প আরও বলেছেন, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকান আধিপত্য আর কখনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে না। এছাড়া কলম্বিয়া এবং কিউবা উভয়ের উপর চাপ বাড়িয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। তার দাবি, গ্রিনল্যান্ড দ্বীপটি রাশিয়ান এবং চীনা জাহাজগুলো আবৃত করে রেখেছে। যা ডেনমার্কের রক্ষা করার ক্ষমতা নেই।

Manual6 Ad Code

এদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড, কিন্তু মাত্র ৫৭,০০০ জনসংখ্যার দেশ, বারবার বলেছে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code