২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রে বেশির ভাগ বাংলাদেশি পরিবার সরকারি সহায়তা নেয়

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রে বেশির ভাগ বাংলাদেশি পরিবার সরকারি সহায়তা নেয়

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিদেশি অভিবাসীদের কত শতাংশ সরকারি সহায়তা নেয় সেটির একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে দেখা গেছে দেশটিতে যত বাংলাদেশি পরিবার থাকে তাদের ৫৪ শতাংশেরও বেশি সরকারি সহায়তা নিয়ে থাকেন।
ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে তালিকাটি প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেখা গেছে বাংলাদেশি পরিবারগুলোর অর্ধেকের বেশি সহায়তা নেয়।

Manual7 Ad Code

রোববার (৪ জানুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ ‘ইমিগ্র্যান্ট ওয়েলফেয়ার রেসিপিয়েন্ট রেটস বাই কান্ট্রি অব অরিজিন’ শিরোনামে এই তালিকা শেয়ার করেন তিনি।এতে ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। সেখানে ভারত বাদে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের নাম আছে।

তালিকায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের অবস্থান উঠে এসেছে ১৯তম স্থানে, যেখানে অর্ধেকের বেশি পরিবার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন সুবিধার ওপর নির্ভরশীল।যুক্তরাষ্ট্র অভিবাসীদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করে থাকে। এরমধ্যে খাদ্য, সরকারি স্বাস্থ্য এবং ঘর ভাড়ার জন্য সরকার সহায়তা দেয়।

Manual6 Ad Code

দক্ষিণ এশিয়ার আরও চারটি দেশের নাম রয়েছে এই তালিকায়। এর মধ্যে ভুটান শীর্ষে রয়েছে—দেশটির অভিবাসী পরিবারগুলোর ৮১ দশমিক ৪ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আর্থিক সহায়তা নেয়। এ ছাড়া আফগানিস্তান রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে (৬৮ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার), পাকিস্তান ৬০তম স্থানে (৪০ দশমিক ২ শতাংশ পরিবার) এবং নেপাল ৯০তম স্থানে (৩৪ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবার)।

যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার–এর ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০০০ সালে যেখানে বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল মাত্র ৪০ হাজার, ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজারে।

Manual7 Ad Code

অন্যদিকে, সবচেয়ে কম হারে সরকারি সুবিধা নেয়া দেশ ও অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে বারমুডা, সৌদি আরব, আর্জেন্টিনা, কোরিয়া, দক্ষিণ আমেরিকাসহ আরও কয়েকটি দেশ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code