২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের বাড়িতে হামলা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ণ
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের বাড়িতে হামলা

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বাসভবনে ‘সম্পত্তি ক্ষতির ঘটনায়’ একজনকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে সোমবার (৫ জানুয়ারি) জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

Manual2 Ad Code

মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ওই ঘটনার সময় ভ্যান্স পরিবার ওহাইওতে ছিল না।
স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে বাসভবনের জানালায় ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে।

সিক্রেট সার্ভিসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এ ঘটনায় প্রাপ্তবয়স্ক এক পুরুষকে আটক করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

Manual2 Ad Code

ওই ব্যক্তি ভ্যান্স-সংশ্লিষ্ট একটি ব্যক্তিগত বাসভবনের বাইরের অংশে জানালা ভাঙাসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পত্তির ক্ষতি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে জেডি ভ্যান্স বলেছেন, আমাদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় যারা খোঁজখবর নিয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। যতদূর বুঝতে পারছি, মানসিকভাবে অসুস্থ এক ব্যক্তি জানালা ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল। দ্রুত সাড়া দেয়ার জন্য সিক্রেট সার্ভিস ও পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তখন বাড়িতে ছিলাম না, কারণ এরই মধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে ফিরে এসেছি।’সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি জানান, অভিযোগ গঠনের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে সিনসিনাটি পুলিশ বিভাগ ও যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি অফিসের সঙ্গে সমন্বয় করছে সিক্রেট সার্ভিস।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ভ্যান্স বা তার পরিবারের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন একজন ফেডারেল আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তা। ওই ব্যক্তি ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি বলেই মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code