২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

হলিউড অভিনেতার মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
হলিউড অভিনেতার মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা টমি লি জোন্সের মেয়ের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সান ফ্রান্সিসকোর একটি অভিজাত হোটেলের ১৫ তলা থেকে ৩৪ বছর বয়সী মেয়ে ভিক্টোরিয়ার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।

Manual1 Ad Code

মারা গেছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা টমি লি জোন্সের মেয়ে।

শুক্রবার ভোররাত ৩টার দিকে ভিক্টোরিয়াকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এক ব্যক্তি। প্রাথমিকভাবে তিনি ভেবেছিলেন অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ভিক্টোরিয়া। পরে হোটেলকর্মীরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন। এরপর চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ওই হোটেলে তিনি আদৌ অতিথি হিসেবে ছিলেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Manual1 Ad Code

প্রাথমিক তদন্তে ভিক্টোরিয়ার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন বা আত্মহত্যার আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ‘পিপল’ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

এক অডিও বার্তার বরাতে তারা জানিয়েছে, ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে হয়ে থাকতে পারে। যদিও পূর্ণ তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।

Manual7 Ad Code

ভিক্টোরিয়া জোন্স ছিলেন টমি লি জোন্স ও তার প্রাক্তন স্ত্রী কিম্বার্লিয়া ক্লাউলের সন্তান। বাবার পথ ধরে অভিনয়ের আঙিনাতেও পা রেখেছিলেন তিনি।

Manual4 Ad Code

‘মেন ইন ব্ল্যাক টু’, ‘দ্য থ্রি বারিয়ালস অফ মেলকুইয়াডেস এস্ট্রাডা’ এবং জনপ্রিয় সিরিজ ‘ওয়ান ট্রি হিল’-এ অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছিলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code