২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর আইন, ছাড় নেই বিদেশি ও শিশুদের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কঠোর আইন, ছাড় নেই বিদেশি ও শিশুদের

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

মালয়েশিয়ায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির সরকার।

Manual8 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া নতুন এই আইনের আওতায় শুধু স্থানীয় নাগরিকরাই নন, অপরাধী হিসেবে শনাক্ত হলে বিদেশি নাগরিক এবং শিশুদের ওপরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নতুন বছরের শুরু থেকেই এই আইন মাঠপর্যায়ে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মালয়েশিয়ার আবাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এনগা কোর মিং।

মন্ত্রী জানান, নতুন বছরের শুরু থেকেই এই আইন মাঠপর্যায়ে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পাবলিক ক্লিনসিং কর্পোরেশনের ৩৩০ জন কর্মীকে দেশব্যাপী নজরদারিতে মোতায়েন করা হয়েছে।

আইন কার্যকর হওয়ার মাত্র একদিনের মাথায় কুয়ালালামপুরের বুকিত বিন্তাং এলাকা থেকে ৪২ জনকে আটক করে জরিমানা করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে ১৮ জনই বিদেশি নাগরিক এবং ২ জন শিশু রয়েছে।

মন্ত্রী এনগা কোর মিং আরও বলেন, ‘কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। রাস্তায় সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলা, থুথু ফেলা বা যেকোনো ধরনের ময়লা ফেললে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।’শিশুদের ক্ষেত্রে মন্ত্রী জানান, তাদের করা ভুলের জন্য বাবা-মা বা অভিভাবককে সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করতে হবে এবং নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ২০০৭ (আইন ৬৭২)-এর অধীনে এই কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অপরাধের ধরন ভেদে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আদালত দোষী সাব্যস্ত করলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা জনসেবামূলক কাজ যেমন- রাস্তা পরিষ্কার, ঘাস কাটা বা আবর্জনা সংগ্রহের নির্দেশ দিতে পারে।

কেউ যদি আদালতের নির্দেশিত কমিউনিটি সার্ভিস করতে অস্বীকার করে তবে তা আলাদা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমপরিমাণ পুনরায় জরিমানার সম্মুখীন হতে হবে।

Manual1 Ad Code

বর্তমানে দেশটির জোহর, মেলাকা, নেগেরি সেম্বিলান, পাহাং, পার্লিস, কেদাহ এবং কুয়ালালামপুর ও পুত্রাজায়ায় এই কঠোর নিয়ম কার্যকর হয়েছে। এছাড়া সেলেঙ্গর, পেনাং ও কেলানতানের মতো রাজ্যগুলোকে আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই আইন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে বের করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়াকে একটি উন্নত ও পরিচ্ছন্ন দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code