২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাশিয়ায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ২

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ণ
রাশিয়ায় বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা, নিহত অন্তত ২

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

রাশিয়ায় নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। খবর আরটির।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্য টেলিগ্রামে দেয়া পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন খেরসন অঞ্চলের গভর্নর ভ্লাদিমির সালদো।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী খোরলি গ্রামে নববর্ষ উদযাপনের সময় একটি ক্যাফে ও একটি হোটেলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ২৪ জন নিহত ও ৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা নজরদারি ড্রোন এলাকায় পর্যবেক্ষণ চালানোর পর বুধবার মধ্যরাতের কিছু আগে এই হামলা ঘটে। তিনটি মানববিহীন আকাশযান ভিড়পূর্ণ ওই স্থানে আঘাত হানে। সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় এবং পুরো স্থাপনাটি আগুনে পুড়ে যায়।
সালদো আরও বলেন, নিহতদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলছে।

Manual6 Ad Code

খেরসন অঞ্চলের গভর্নর রাতের এই হামলাকে ২০১৪ সালের মে মাসের ওডেসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করেন। ওই সময় ইউক্রেনের উগ্র জাতীয়তাবাদীরা ২৪ জন সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের একটি ভবনে আটক করে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। সেই ২৪ আন্দোলনকারী জীবন্ত পুড়ে মরেছিলেন কিয়েভে।
তিনি বলেন, ‘জেলেনস্কি যে শান্তি’র কথা বলেন, তা আসলে এরকমই।’

এদিকে মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাশিয়ার রাজধানী লক্ষ্য করে ছোড়া অন্তত নয়টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। তিনি জানান, স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে প্রথম ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়, সেই সময়ই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের ভাষণ শুরু হচ্ছিল।

Manual5 Ad Code

গত ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের বাসভবন লক্ষ্য করে কিয়েভের চালানো ড্রোন হামলার পর গতকাল রাতে আবারও এই হামলার ঘটনা ঘটল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code