২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা নেতানিয়াহুর প্রতি ‘হতাশ’ যুক্তরাষ্ট্র!

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ০১:০৫ অপরাহ্ণ
শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা নেতানিয়াহুর প্রতি ‘হতাশ’ যুক্তরাষ্ট্র!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে যেতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে টানাপোড়েন বাড়ছে।ডনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

Manual5 Ad Code

গাজা শান্তি প্রক্রিয়াকে দুর্বল করার আশঙ্কায় নেতানিয়াহুর ভূমিকা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ক্রমশ ‘হতাশ’ হয়ে পড়ছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

Manual3 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসসহ প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা মনে করছেন, নেতানিয়াহু চুক্তি বাস্তবায়নে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করছেন এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে দিতে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

তবে একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উইটকফ ও কুশনারের তুলনায় মার্কো রুবিও নেতানিয়াহুর অবস্থানের কাছাকাছি।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, নেতানিয়াহু কার্যত ট্রাম্পের মূল টিমের সমর্থন হারিয়েছেন। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে এখনও তাকে (নেতানিয়াহু) পছন্দ করেন, তবে তিনিও চান গাজা চুক্তির অগ্রগতি আরও দ্রুত হোক।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘জেডি ভ্যান্স, মার্কো রুবিও, জ্যারেড কুশনার, স্টিভ উইটকফ, সুসি সবাই নেতানিয়াহুর সমর্থন হারিয়েছেন। শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই এখন নেতানিয়াহুর পাশে আছেন।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উইটকফ ও কুশনার প্রস্তাবিত পরিকল্পনা বিশেষ করে গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত ধারণা নিয়ে নেতানিয়াহু সংশয় প্রকাশ করেছেন। এটি (নিরস্ত্রীকরণ) শান্তি পরিকল্পনার মূল বিষয়।

এদিকে গাজা নিয়ে ‘শান্তি কাউন্সিল’ বা ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট সরকারের ঘোষণা করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ইসরাইলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকেই গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে যেতে চায় হোয়াইট হাউস।

তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর আপত্তির কারণে এ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ধাপে গাজায় দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অরাজনৈতিক ফিলিস্তিনি সরকার গঠনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর আপত্তির কারণে এ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ সম্প্রতি ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

Manual6 Ad Code

তবে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছেন নেতানিয়াহু। বিশেষ করে হামাস নিরস্ত্রীকরণের প্রস্তাব নিয়ে সন্দিহান তিনি।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code