৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর জন্য উৎসর্গ হবে: লেবোউফ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
২০২৬ বিশ্বকাপ রোনালদোর জন্য উৎসর্গ হবে: লেবোউফ

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual3 Ad Code

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য উৎসর্গ করা হবে বলে আশা করছেন ফ্রান্সের সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ফ্রাঙ্ক লেবোউফ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসরে পর্তুগালকেই ফেবারিট মানছেন সাবেক এই ফুটবলার।

পর্তুগালকে আসন্ন বিশ্বকাপে ফেবারিট মানছেন লেবোউফ।
এদিকে, কিলিয়ান এমবাপ্পেকে কখনোই জিদানের মতো জনপ্রিয় হতে পারবেন না বলেও মন্তব্য করেছেন লেবোউফ।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে একটা বিশ্বকাপেরই অভাব ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। যদিও সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফুটবলে তার লিগ্যাসি বিশ্বকাপ জয়ের ওপর নির্ভর করে না বলেও মন্তব্য করেছেন আল-নাসর তারকা।

Manual1 Ad Code

তবে মুখে যাই বলুক না কেন মনে মনে সিআরসেভেন যে বিশ্বকাপ জয়ের অপূর্ণ স্বপ্ন ঠিকই পূরণ করতে চান, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না । তাই তো ৪০ বছর বয়সেও চালিয়ে যাচ্ছেন জাতীয় দলের খেলা। আর ক্যারিয়ারের সেই অপূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ২০২৬ বিশ্বকাপে।

ক্যারিয়ারে শেষ সময়ে লিওনেল মেসি যেমন কাতারে বিশ্বকাপ জিতেছেন ঠিক তেমনই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত হওয়া বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরবেন রোনালদো। এমনটাই মনে করেন ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ফ্রাঙ্ক লেবোউফ। আসন্ন বিশ্বকাপে পর্তুগালকেই ফেবারিট মানছেন সাবেক এই ফুটবলার।

Manual2 Ad Code

ফ্রাঙ্ক লেবোউফ বলেন, ‘বিশ্বকাপ জয় একজন ফুটবলারের ক্যারিয়ারের পার্থক্য গড়ে দেয়। রোনালদো দুর্দান্ত ফুটবলার। তার ক্যারিয়ারে একটা বিশ্বকাপের প্রয়োজন। বিষয়টা এমন যে ২০২২ বিশ্বকাপ মেসির জন্য উৎসর্গ করা হয়েছিল।

আমি সত্যিই আশা করি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ রোনালদোর জন্য উৎসর্গ করা হবে। পর্তুগাল দলটা এবার অসাধারণ। আমি আশা করি এবার তাদের বিশ্বকাপ জয়ের সক্ষমতা আছে।’

Manual6 Ad Code

এদিকে, জিনেদিন জিদানের সঙ্গে এখনই কিলিয়ান এমবাপ্পেকে তুলনা করতে চান না ফ্রান্সের সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ফ্রাঙ্ক লেবোউফ। ২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের শিরোপা জয়ের পেছনে অন্যতম অবদান রেখেছেন এমবাপ্পে। ২০২২ বিশ্বকাপে দলকে নিয়ে যান ফাইনালে। লেস ব্লুদের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল স্কোরারও এমবাপ্পে।
তবুও ফ্রান্সের সর্বকালের সেরার দৌড়ে এমবাপ্পেকে অনেক পেছনেই রাখেন ফ্রাঙ্ক লেবোউফ। এমবাপ্পে কখনো জিদানের মতো জনপ্রিয়ও হতে পারবে না বলে মনে করেন তিনি।

সাবেক এ ফরাসি বলেন, ‘জিদান যে উচ্ছতায় আছে সেখানে এমবাপ্পে কখনোই যেতে পারবে না। জিদানের সঙ্গে তার তুলনা হয় না। জিজুর অসাধারণ সামর্থ্য আছে।

২০০৬ সালের ঘটনার পরও তাকে সবাই ভালোবাসে। তবে এমবাপ্পের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু বিতর্ক আছে। যা অনেকেই পছন্দ করে না।’
তবে কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ফ্র্যাঙ্ক লেবউফ। নিজের উত্তরসূরীকে একদিন দেখতে চান গ্রেটদের কাতারে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code